হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ :
টেকনাফে অবৈধ অস্ত্র এবং ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা আটকের ঘটনায় তোলপাড় চলছে। তাছাড়া ইয়াবার প্যাকেটে ‘ডাল’ পাওয়া নিয়ে মুখরোচক আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকায় অবৈধ অস্ত্র এবং ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করেছিল বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি-২। আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা হ্নীলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পশ্চিম লেদা মৃত আমীর হোসেনের পুত্র আবদুল মোতালেব ফরহাদ (২৫)। তার কাছ থেকে ১টি চায়না ৯ এমএম পিস্তল, ৩টি কার্তুজ ও ৮০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। ৪ ডিসেম্বর বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা স্টেশনের ‘লেদা স্পোটিং ক্লাব’ থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত আবদুল মোতালেব ফরহাদ চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর হ্নীলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘নাফনদীর সীমান্ত দিয়ে বড় একটি ইয়াবার চালান মজুদ রাখার গোপন সংবাদে হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা স্পোটিং ক্লাবে লেদা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ক্লাবের প্রবেশদ্বারে সন্দেহজনক ব্যক্তি ফরহাদের কোমরে তল্লাশী করে একটি বিদেশী পিস্তল, ৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ১টি ম্যাগজিন উদ্ধার করে। এছাড়া ক্লাবের ভিতরে রক্ষিত কার্টনের স্তপের মধ্যে পলিথিন মোড়ানো ৮টি ইয়াবা সদৃশ্য প্যাকেট জব্দ করে। পরবর্তিতে প্যাকেটগুলো খুলে গনণা করে ৬টি প্যাকেটে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ও অপর দু’টি প্যাকেটে মুগডাল পাওয়া যায়। বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অধিক মুনাফা অর্জনের জন্য ইয়াবার পরিবর্তে ডাল প্যাকেটজাত করা হয়েছিল। নিষিদ্ধ মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা রুজু করে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে’।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •