মোঃ আবছার কবির আকাশ :
সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের হোয়াইক্যং-শামলাপুর সংযোগ সড়কে বেপরোয়া হারে এনজিও’র গাড়ি সহ বিভিন্ন রকমের ভারী মালবাহী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কটি খন্ড খন্ড গর্তে পরিনত হয়েছে।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসার পর বর্তমানে তারা উখিয়া-টেকনাফে বসবাস করতেছে। দুই উপজেলায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি’র সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন ধরণের এনজিও’র শত শত যানবাহনের বিচরণের কারণে অত্র উপজেলার রাস্তাঘাট ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।ক্ষতিগ্রস্থের ফলে কক্সবাজার-টেকনাফ হাইওয়ে মহাসড়কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নতুন ভাবে সংস্কার কাজ শুরু করেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়,টেকনাফ উপজেলায় অবস্থিত রোহিঙ্গা শিবির গুলোতে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন শত শত এনজিও’র গাড়ি’র পাশাপাশি স্থানীয় মালিকদের বিভিন্ন মালামাল ভর্তি বাড়ি যানবাহন হোয়াইক্যং-শামলাপুর সংযোগ সড়কটি ব্যবহার করার কারণে বর্তমানে সড়কটি খন্ড খন্ড গর্তের পরিনত হয়েছে এবং সড়কটিতে চলাচলের ঝুঁকিও বাড়ছে। স্থানীয় অল্প বয়সী ছেলেরা নিজ উদ্দ্যোগে মাটি দিয়ে কোন রকম ক্ষতিগ্রস্থ সড়কের গর্ত গুলো ভরাট করার মানবিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এবিষয়ে হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী জানান, কক্সবাজার-টেকনাফের ক্ষতিগ্রস্থ হাইওয়ে মহাসড়কের সংস্কার কাজ হওয়ার কারণের বর্তমানে হোয়াইক্যং-শামলাপুর সড়কে এনজিও’র গাড়ি’র ব্যবহার বাড়ছে।
উক্ত সড়কে লক্ষ্য করা যায় প্রতিদিন শত শত এনজিও’র গাড়ি সহ স্থানীয় মালিকদের ট্রাক ও ডাম্পার গাড়ি চলাচল বাড়ার কারণে সড়কটি’র এখন খন্ড খন্ড গর্তে পরিনত হয়েছে।এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান জানান।
শামলাপুরের বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাইফুল ইসলাম কোম্পানি জানান, প্রতিদিন উপজেলার হোয়াইক্যং-শামলাপুর সড়কের এনজিও’র গাড়ি সহ স্থানীয় মালিকদের বড় বড় ট্রাক ও ডাম্পার গাড়ি বেপরোয়া গতি হারে ভারী মালামাল নিয়ে অবাধ চলাচলে কারণে শামলাপুর বাজার সহ হোয়াইক্যং-শামলাপুর সড়কের আজ বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •