আমি এড. আবদুল খালেক চৌধুরী মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ায় কিছুদিন যাবত অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় আমার প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি উক্ত অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ করছি। প্রকৃত পক্ষে আমার প্রতিপক্ষগণ আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির জন্য তারা এখনো অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। প্রকৃত কথা হচ্ছে- কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদী দখল করেছি মর্মে আমার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার করা হচ্ছে উক্ত জমি আমার খরিদামূলে প্রাপ্ত স্বত্ব দখলীয় জমি হয়। উক্ত জমি সংক্রান্ত মহামান্য হাইকোর্ট, সুপ্রীমকোর্ট ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের রায় ডিক্রি এবং অনুমোদন আছে। বাঁকখালী নদী আমার বর্ণিত জমি থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এছাড়াও আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে অপপ্রচার করা হয়েছে- যাও সত্য নয়। আমি ১৯৯১, ৯৬ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যথাক্রমে- সাবেক সংসদ মরহুম মোহাম্মদ ইসহাক বিএ, বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা ও ড. আনসারুল করিমের পক্ষে নির্বাচনে জোরালোভাবে কাজ করেছি- যা সর্বজন জ্ঞাত রয়েছে। একইভাবে গেলো উপজেলা নির্বাচনে এবং সংসদ নির্বাচনে আমি নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছি। শুধুমাত্র স্থানীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব থাকায় এবং মহেশখালী পরিবর্তে কুতুবদিয়ায় নৌকার প্রার্থী পরিবর্তন হওয়ায় এলাকার জনগণের চাপে অন্যান্যদের মতো ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে আমিও নীরবতা পালন করি। ইহাকে কেন্দ্র করে আমাকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে অপপ্রচার করা সত্যিই দুঃখজনক। মূলত সংবাদমাধ্যমে কর্মরত জনৈক সাংবাদিক বর্তমানে আমার বিরুদ্ধে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছে। তিনি সংবাদ মাধ্যম সম্পৃক্ত থাকায় আমার বিরুদ্ধে সব অপপ্রচারের মূলহোতা তিনি বলে আমার বদ্ধমূল ধারণা। ইনশাল্লাহ, নির্বাচনের পর আমি উক্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমি যথাযথ আইনী পদক্ষেপ নেবো।

পরিশেষে উক্ত অপপ্রচারে কোনো রকম বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আমি সর্বমহলের প্রতি অনুরোধ করছি।

নিবেদক
আবদুল খালেক চৌধুরী
নৌকার প্রতীকের প্রার্থী, আসন্ন শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •