মুফিজুর রহমান, নাইক্ষ্যংছড়ি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাকঢালা ও বাইশারী ইউনিয়নে অবাধে কাটছে পাহাড়। এসব পাহাড় খেকোরা মানছে না পরিবেশ সংরক্ষণ আইন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অগোচরে দিন দিন বেড়েই চলেছে পাহাড় কাটার ঘটনা। ফলে দিন দিন ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ।

চাকঢালার গয়ালমারা ও বাইশারী ইউনিয়নের লম্বাবিল, উত্তর বাইশারী, নারিচবুনিয়া, হলদ্যাশিয়া এলাকার কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলে জানা যায়, পাহাড় কেটে চড়া দামে মাটি বিক্রি করছে কতিপয় অসাধু লোক। এসব পাহাড়ের মাটি দিয়ে ভরাট হচ্ছে ফসলি জমি, ভিটেবাড়ী এবং যাচ্ছে ইট ভাটায়। নিয়মিত পাহাড় কাটা চললেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক স্কুল শিক্ষক জানান- উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে পাহাড়ের মাটি দিয়ে ফসলি জমি ভরাটের ফলে দিন দিন কৃষি জমি কমে যাচ্ছে। উঠছে নতুন নতুন বিল্ডিং। কৃষকরা জমি না পেয়ে কৃষি কাজ ছেড়ে দিয়ে অন্যান্য কর্মে জড়িয়ে পড়ছেন।

চাকঢালা এলাকার বাসিন্দা মোঃ আব্দুল্লাহ জানান, ৫ নং ওয়ার্ডের গয়ালকাটা নামক এলাকার বাসিন্দা মৃত শামশুল আলমের পুত্র আজিজুর রহমান বসত বাড়ী সংলগ্ন পাহাড় থেকে মাটি কাটা হচ্ছে। ওই মাটি নিয়ে ভরাট হচ্ছে ফসলি জমি। এতে ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ।

মাটি কাটার সত্যতা স্বীকার করে আজিজুর রহমানের স্ত্রী সাংবাদিকদের জানান- বাড়ী নির্মাণের জন্য পাহাড় কাটা হচ্ছে, বিক্রির জন্য নয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি বলেন, গয়াল কাটা পাহাড় কাটার বিষয়ে আমি শুনেছি। শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •