সিবিএন ডেস্ক:
রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার মিয়ানমারের সেনা মুখপাত্র জ্য মিন তুন দাবি করেছেন এধরণের অস্ত্র রাখার কোনও আকাঙ্ক্ষাও তাদের নেই। উল্লেখ্য, মিয়ানমারের কাছে এই অস্ত্র থাকার অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রহিবিশন অব ক্যামিকেল উইপনস (ওপিসিডব্লিউ)-এর বার্ষিক সভায় যুক্তরাষ্ট্রের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ১৯৮০-র দশকে মিয়ানমারে রাসায়নিক অস্ত্র তৈরির একটি কর্মসূচি ছিল৷ সেখানে এখনও ওই অস্ত্রের মজুদ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

মঙ্গলবার মিয়ানমারের সেনা মুখপাত্র বলেন, রাসায়নিক অস্ত্র সংশ্লিষ্ট কোনও কর্মসূচি তাদের অতীতেও ছিল না আর এখনও নেই। তিনি বলেন, কেবল রাসায়নিক অস্ত্র নয় আমাদের কোনও পারমাণবিক ও বায়োক্যামিকেল অস্ত্র উৎপাদন, মজুদ বা পরীক্ষার স্থাপনাও নেই।

১৯৮০’র দশকে মিয়ানমারে রাসায়নিক অস্ত্রের স্থাপনা থাকা প্রসঙ্গে জ্য তুন মিন বলেন, কোন দিকে ইঙ্গিত করে যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযোগ করেছে তা ধারণা করতে পারছেন না তারা।

তবে অস্ত্র থাকার কথা অস্বীকার করলেও অতীতে এ ধরণের অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছে মিয়ানমারকে। ২০০৫ সালে লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার গ্রুপ ক্রিশ্চিয়ান সলিডারিটি ওয়ার্ল্ডওয়াইড মিয়ানমারের সাবেক সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে কারেন জনগোষ্ঠীর বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ আনে। ২০১৩ সালে এক পার্লামেন্টারি প্রতিবেদনে বলা হয় আগের বছর দেশটির উত্তরাঞ্চলের একটি তামার খনিতে বিক্ষোভে পুলিশ ফসফরাস ব্যবহার করেছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •