ইমাম খাইর, সিবিএন:

এবিএম মাসুদ হোসেন, বিপিএম।
২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন।  
এমন সময়ে তিনি কক্সবাজারে পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তার দায়িত্ব নেন, যে সময়ে পুরো জেলায় ইয়াবাসহ মাদকের জোয়ার বইছে।
আর সরকার ঘোষণা করেছে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স।
এবিএম মাসুদ হোসেন দায়িত্ব নিলেন শক্ত হাতে। ঢেলে সাজালেন জেলা পুলিশকে।
বুদ্ধি, বিচক্ষণতা ও কর্মকৌশলে মাদকসহ সব ধরণের অপরাধে ডেরায় হানা দিলেন।
জেলায় মাদক পুরোপুরি নির্মূল না হলেও নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় চলে এসেছে।
এখন অনেকটা সফল বললেও বেশি বাড়িয়ে বলা হবেনা।
এবিএম মাসুদ হোসেনের দায়িত্বকালেই এ পর্যন্ত ৩ টি আত্মসমর্পন অনুষ্ঠান হয়ে গেল।
যার সিংহভাগ কৃতিত্ব জেলা পুলিশের বললে চলে।
সর্বশেষ শনিবার (২৩ নভেম্বর) মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ শীর্ষ কর্তাদের হাতে ৯৬ জন জলদস্যু ও অস্ত্রকারিগর বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করে। যেটি পুরো দেশের অপরাধীচক্রের জন্য যেমন সতর্ক বার্তা, তেমন দৃষ্টান্তও বটে।
ঐতিহাসিক ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তিনি।
মাত্র কয়েক মিনিটের ভাষণে পিলে চমকানো অনেক কথা বলেন এসপি মাসুদ হোসেন।
সময়ের স্বল্পতা ও বাস্তবতার কারণে না বলা অনেক কথা রয়ে গেছে।যা তিনি প্রেস রিলিস আকারে গণমাধ্যমকর্মীদের দিয়েছেন।

পাঠকের প্রয়োজনে তা হুবহু তুলে ধরা হলো-
দেশের দক্ষিণ জনপদে পাহাড়, নদী, সমুদ্র, অরণ্য, উপত্যকা প্রভৃতি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট মন্ডিত জেলা কক্সবাজার। জেলার আটটি থানার মধ্যে মহেশখালী থানা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালীর অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি এবং পর্যটন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু চিংড়ি চাষ, লবণ চাষ, বিস্তীর্ণ বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণ, শুটকি প্রক্রিয়াকরণ মহেশখালীকে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, সোনাদিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠানহ প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিক বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগ মহেশখালী উপজেলাকে কেবল বাংলাদেশ নয়, বহির্বিশ্বের কাছেও বিনিয়োগের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে গড়ে তুলেছে, যা আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
মহেশখালী-কুতুবদিয়ার হাজার হাজার উপকূলবর্তী মানুষ জেলে। তাদের একমাত্র জীবন-জীবিকার মাধ্যম সমুদ্রের মৎস আহরণ। কিন্তু যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের মৎস আহরণ করতে গিয়ে জেলেরা জলদস্যু অবৈধ অস্ত্রধারীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। এই ঘৃণ্য অপরাধীরা জেলেদের মাছ ধরার ট্রলার, জাল অাহরণকৃত মাছ লুণ্ঠন করে। এমনকি জেলেদেরকে মাছধরা ট্রলারসহ অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। অনেকে জলদস্যুদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। আবার অনেকে চোখ, হাত-পা হারিয়ে দুঃসহ জীবন যাপন করছে।
২০১৮ সালের ১৭ মে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স ও বিশেষ অভিযান ঘোষণার পর থেকে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে।
এসময় অনেক মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, জলদস্যু, অবৈধ অস্ত্রধারীসহ ১৯৮ জন পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে। সেখানে ১০ জন জলদস্যুও রয়েছে। ১০২২ জনের বিরুদ্ধে ৫৪৮ টি অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ৯৬১ টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ২২০৫ রাউন্ড কার্তুজ, ৯৬৮ রাউন্ড কার্তুজের খোসা ও ২০ টি ম্যাগজিন।
পুলিশের এই অভিযানে পুরো জেলায় বিশেষ করে মহেশখালী-কুতুবদিয়া এলাকার জলদস্যুরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানের ফলশ্রুতিতে জলদস্যু, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনীগুলো অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। শূন্যের কোঠায় নেমে আসে তাদের অপরাধপ্রবণতা।
যুগ যুগ ধরে গড়ে তুলা জলদস্যু, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের শক্ত প্রাচীরে জেলা পুলিশের বিভিন্ন কৌশলগত পদক্ষেপ ও অভিযানের কারণে তাদের ভীত দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে জলদস্যু, অবৈধ অস্ত্রধারী, অস্ত্র তৈরীর কারিগররা এলাকা থেকে পালিয়ে অন্যত্র আত্মগোপন করে। পালিয়ে থাকার পরও তারা মাঝেমধ্যে সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
অবশেষে বিগত কয়েক মাসে ব্যাপক পুলিশি অভিযানের কারণে এবং সন্ত্রাস বিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টির ফলে তারা এই ঘৃণ্য পেশা ছেড়ে সুপথে ফিরে আসাসহ পরিবার-পরিজন নিয়ে সমাজে সুন্দর ও পরিচ্ছন্নভাবে বসবাসের লক্ষ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে আত্মসমর্পণের অভিপ্রায় ব্যক্ত করে।
একটি বাহিনীর প্রধান আইয়ুব বলেন, ‘এতদিন পাহাড়-জঙ্গল ও সাগরে কাটাতাম। সহজে স্বজনদের কাছে যেতে পারতাম না। এখন আত্মসমর্পণ করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই।’
এলাকার সুশীল সমাজের এঅভিমত, আভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদ রোধে আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া একটি ভালো উদ্যোগ।
এমতাবস্থায় শুধু কঠোর আইন প্রয়োগকারী জলদস্যু অবৈধ, অস্ত্র তৈরির কারিগরদের প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।
একজন মানুষ অপরাধী হয়ে জন্মগ্রহণ করে না। বিভিন্ন পারিপার্শ্বিকতায় অপরাধমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়।
তাই যেসকল অপরাধী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ছেড়ে সুপথে ফরতে চায় তাদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।
সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলদস্যু, অবৈধ অস্ত্রধারী ও অস্ত্র তৈরীর কারিগরদের আত্মসমর্পণের প্রকাশকে স্বাগত জানিয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হয়।
এ আলোচনার ধারাবাহিকতায় সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে জলদস্যু, অবৈধ অস্ত্রধারী ও অস্ত্র তৈরীর কারিগরদের আত্মসমর্পণের বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ায় অপরাধীদের আত্মসমর্পণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
ইতোপূর্বে গত ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর মহেশখালী-কুতুবদিয়া ৪৩ জন সক্রিয় জলদস্যু র‌্যাবের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে খুলনার সুন্দরবনের কিছু বনদস্যু র‌্যাবের নিকট আত্মসমর্পণ করেছে।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন এমপি, আইজিপি ডঃ মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ১০২ জন মাদক ব্যবসায়ী জেলা পুলিশের নিকট আত্মসমর্পণ করেছে।
সেসব আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে দৃষ্টান্ত সামনে নিয়ে এই ঘৃণ্য পেশা ছেড়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সমাজে সুস্থ-সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করে ভবিষ্যতে তারা এই ধরনের কোন অপরাধে জড়িত হবে না, সমাজে ফিরে গিয়ে তাদের স্ব-স্ব এলাকার সমুদ্র ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা সন্ত্রাসমুক্ত করার লক্ষ্যে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জলদস্যু, অবৈধ অস্ত্রধারী, অস্ত্র তৈরীর কারিগরদের সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।
যেসকল অপরাধী এখনও সক্রিয় রয়েছে, তাদের তথ্য যারা পুলিশকে সরবরাহ করবে, আত্মসমর্পণের পূর্বে তাদের বিরুদ্ধে যে সকল বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে, তা নিজ দায়িত্বে মোকাবেলা করবে। আত্মসমর্পনকারীদের হেফাজতে যে সকল অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে তা আত্মসমর্পণের সময় জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করবে, আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় তাদের বিরুদ্ধে যে মামলাটি রুজু হবে সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে তাদের আইনগত সুবিধা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে, এই শর্ত সাপেক্ষে তারা স্বেচ্ছায় ২৩ নভেম্বর আত্মসমর্পণ করেছে।
জলদস্যু, অবৈধ অস্ত্রধারী, অস্ত্র তৈরীর কারিগরগন জেলা পুলিশের নিকট আত্মসমর্পণের বিষয়ে আনন্দ টিভির রিপোর্টার মীর মোহাম্মদ আকরাম হোসেন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তিনি অপরাধীদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ অক্ষুন্ন রাখেন।
তারই ধারাবাহিকতায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে তালিকাভুক্ত জলদস্যু, অবৈধ অস্ত্রধারী, অস্ত্র তৈরির কারিগরদের মধ্যে আইয়ুব বাহিনীর প্রধান আইয়ুব, আব্দুল করিম বদিয়া বাহিনীর প্রধান আব্দুল করিম বদিয়া, গুরা কালো বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ কালু, হামিদ বাহিনীর প্রধান মোঃ আবদুল হামিদ, কালা জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ কালা জাহাঙ্গীর, জিয়া বাহিনীর প্রধান জিয়াউর রহমান জিয়া, করিম বাহিনীর প্রধান মাহমুদুল করিম, সিরাজ বাহিনীর প্রধান সিরাজদৌল্লা চৌধুরী, স্বপন বাহিনীর প্রধান মান্নান দে স্বপন, মিন্টু বাহিনীর প্রধান আব্দুল্লাহ মিন্টু, শিকদার বাহিনীর ২ জন, আঞ্জু বাহিনীর ১ জন, জোনায়েদ বাহিনীর ২ জন, কালা জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ জন, কালাবদা বাহিনীর ১জন, স্বপন বাহিনীর ১জন, জিয়া বাহিনীর ২জন, গুরা কালু বাহিনীর ১জন অস্ত্রের কারিগর ৯ জন, অন্যান্য ১৫ জনসহ ১৭ বাহিনীর সর্বমোট ৯৬ জন আত্মসমর্পণ করেছে।
এ সময় তাদের নিকট মজুদ থাকা ১৩টি. ৩০৩ রাইফেল, একটি দেশীয় তৈরি দো’নালা বন্দুক, ১৪১টি একনলা বন্দুক, ২৮ টি.৩০৩ রাইফেলের গুলি, ২৫৫টি বন্দুকের কার্তুজ জমা দিয়েছে।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আসাদুজ্জামান খাঁন এমপি।
গেস্ট অব অনার ছিলেন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- কক্সবাজার -১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম, কক্সবাজার-২ (কুতুবদিয়া-মহেশখালী) আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান।
জলদস্যু, অবৈধ অস্ত্রধারী ও অস্ত্র তৈরির কারিগরদের আত্মসমর্পণের এই ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। যেটি নানাবিধ অবৈধ পন্থা অবলম্বনকারী ব্যবসায়ী, কুচক্রী ও অপরাধী মহলের জন্য একটি যথোপযুক্ত বার্তা হিসেবে কাজ করবে।
আত্মসমর্পণ একদিকে যেমন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সহায়ক তেমনি ভবিষ্যতে কখনো এই ধরনের অপরাধের সাথে যেন নতুনভাবে কেউ জড়িত হতে না পারে, কিংবা পুরাতন কেউ নতুন করে পুনরায় এই ধরনের অপরাধে জড়াতে উৎসাহিত না হতে পারে, সে ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
জলদস্যু, অবৈধ অস্ত্রধারী ও অস্ত্র তৈরির কারিগরদের আত্মসমর্পণ যেন ভালোর নিকট মন্দের পরাজয়, সততার নিকট অসততার পরাজয়, সত্যের নিকট অলীক-ভ্রমণের পরাজয়।
বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা ও অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে মহেশখালী-কুতুবদিয়া সর্বোপরি কক্সবাজার জেলার যে সুনাম হুমকির মুখে পড়েছিল, আত্মসমর্পণের পরে পুনরায় সেই সুনাম অর্জনে সহায়ক হবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে মহেশখালী একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে রূপান্তরসহ জাতীয় পর্যায়ে প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যথাযথ ভূমিকা রাখবে।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •