নিজস্ব প্রতিবেদক:
সংগীতে, নৃত্যে, আবৃত্তিতে, যন্ত্র বাজনায়, চিত্রকলাতে প্রতিভাবান কক্সবাজারের দেড়শত শিল্পীদের মঞ্চকুঁড়ি সম্মাননা দিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী। ২২ নভেম্বর কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষুদে শিল্পীদের গলায় স্কাব এবং ব্যাজ পড়িয়ে সম্মান জানান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রত্যেক শিশুদের মাঝে অসামান্য প্রতিভা রয়েছে। তাদের ভিতরে থাকা সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ যথাযথ হয়না। এটা শিশুদের সীমাবদ্ধতা নয়, এটা বড়দের ব্যর্থতা। তাই বড়দের উচিত তাদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ করে দেয়া। আর যারা প্রতিভা বিকাশের কিছুটা সুযোগ পেয়েছে তারা প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। তাদের আরো উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যোগাতে সারাদেশে মঞ্চকুঁড়ি সম্মাননা দেয়া হচ্ছে।

তিনি কক্সবাজারের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের দৈন্যদশ নিয়ে বলেন, কক্সবাজারে আগে একটি সায়মান হোটেল ছিল। তখনও একইরকম সাংস্কৃতিক চর্চা ছিল। আর এখন তারকা মানের অসংখ্য হোটেল হলেও সাংস্কৃতিক চর্চা আগের মতো রয়েছে। কক্সবাজারে সবক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, শুধু হয়নি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের। এমন কি স্বাধীনতার পরবর্তি দীর্ঘ সময়েও শিল্পকলার জন্য একখন্ড জমি দেয়া সম্ভব হয়নি।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আমিন আল পারভেজ, সাংস্কৃতিক সংগঠক জসিম উদ্দিন বকুল, এডভোকেট তাপস রক্ষিত, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক বিশ^জিত পাল বিশু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, সদস্য কবি আসিফ নুর ও এম.জসিম উদ্দিন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কালচারাল অফিসার সুদীপ্তা চক্রবর্তী ও সারিকা।

অনুষ্ঠানের আগে পুষ্পকাননে গাছ রোপন করেন অতিথিসহ শিশুশিল্পীরা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •