নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আফসারের হস্তক্ষেপে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীর নয়াপাড়া গ্রামের প্রায় ২০ একরের একটি পাহাড় রক্ষা পেয়েছে।
জানা গেছে, নয়াপাড়া গ্রামে প্রায় ২০ একরের একটি পাহাড় সাবাড় করতে সমস্ত পরিকল্পনা সম্পন্ন করে পাহাড়খেকো চক্র। এই চক্রে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতাও রয়েছে। তারা স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে পাহাড়টি কাটা শুরু করে। টানা তিনদিন কাটার পর খবর পান ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ২০ নভেম্বর রাতে চকরিয়ার এসিল্যান্ডকে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন তিনি।
অভিযানে একটি এস্কেভেটর ও একটি ডাম্পার (পিকআপ) জব্দ করেন এসিল্যান্ড। তবে এসময় অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে যায় পাহাড়খেকো চক্র।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী জানান, পাহাড়টি কাটছিলেন দুলাহাজারা এলাকার শাহ আলমের ছেলে সরোয়ার, মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে এরশাদুর রহমান, হাবিবুর রহমানের ছেলে মনসুর আলম, মাকসুদুল আলমের ছেলে হাসানুল ইসলাম, উখিয়ার ইনানী এলাকার বদিউর রহমানের ছেলে নুরুল হক। পাহাড় কেটে চক্রটি মাটি বিক্রি করতো। কিন্তু জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাদের সমস্ত পরিকল্পনা ভন্ডুল হয়েছে। তবে স্থানীয় মানুষের আশঙ্কা, পাহাড়টি আদৌ রাঘববোয়ালদের হাত থেকে রক্ষা পাবে কিনা।
অভিযানের পর পরিবেশ অধিদপ্তরকে দ্রুত মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন চকরিয়ার এসিল্যান্ড।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার বলেন, ‘আমার কাছে হঠাৎ খবর আসে খুটাখালীতে একটি পাহাড় কেড়ে সাবাড় করা হচ্ছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসিল্যান্ডকে অভিযানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এসিল্যান্ড অভিযান চালিয়ে এস্কেভেটর ও পিকআপ জব্দ করে।’
তিনি আরও বলেন, পাহাড় কাটার বিষয়ে কোন ছাড় হবে না। এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত আছে তাদের প্রত্যেককে খোঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •