এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া:
পেকুয়ায় দুই ডাকাত দলের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে তালিকাভুক্ত ডাকাত সদস্য মোহাম্মদ আলমের নামের এক ডাকাত নিহত হয়েছে। এ সময় ডাকাতদের গ্রেপ্তার করতে গিয়ে এএসপি সার্কেল, ওসি ও এএসআইসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে টইটং ইউনিয়নের গুদিকাটা এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১২টি দেশিয় তৈরি বন্দুক ও ২৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত মোহাম্মদ আলম রাজাখালী ইউনিয়নের বদিউদ্দিন পাড়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর নির্যাতনসহ বিভিন্ন আইনে সাতটি মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.কামরুল আজম বলেন, মঙ্গলবার ভোরে টইটং ইউনিয়নের গুদিকাটা এলাকায় দুই ডাকাত দলের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের জেরে ঘন্টাব্যাপী গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাকাতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায়।

এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুটতে ছুটতে গহীন অরণ্যে পালিয়ে যায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে।

ওইসময় সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো. মতিউর ইসলাম, পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান, এএসআই মেজবাহ উদ্দিনসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।

তিনি বলেন পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে তালিকাভুক্ত ডাকাত আলমের মরদেহ ও অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •