হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের পুড়েরঝিরিঘোনায় বনবিভাগের পাহাড় নির্বিঘ্নে কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বনাঞ্চল উজাড় করে নির্মাণ করা হয়েছে একাধিক পানের বরজ ও পরিবেশ বিধ্বংসী তামাকচুল্লি। খোদ এই কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করছেন বনকর্মী (ভিলেজার) হাফেজ আহমদ (৪৫)। তার বাবার নাম মৃত হাছন আলী। স্থানীয়দের অভিযোগ হাফেজ আহমদ ইতোমধ্যে বনবিভাগের ২৫ একর জমি অবৈধভাবে দখলে নিয়ে পরিবেশের বারোটা বাজিয়ে চলেছেন।

গর্জনিয়া বাজার থেকে অন্তত পাঁচ কিলোমিটার দূরে থিমছড়ি বাজার। থিমছড়ি বাজার হয়ে পূর্ব দিকে আঁকা বাঁকা ও পাহাড়ী পথ পেরিয়ে আরও ছয় কিলোমিটার গেলেই সেই পুড়েরঝিরিঘোনা বনাঞ্চল। বনাঞ্চলটি পড়েছে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বাঘখালী রেঞ্জের গিলাতলী বনবিটে।

গত রোববার সেই পুড়েরঝিরিঘোনায় গিয়ে দেখা গেছে- বনকর্মী হাফেজ আহমদ নিজেই কোদাল হাতে পাহাড় কাটছেন। প্রতিবেদককে দেখে বলেই ফেললেন ‘বাবা এসব লিখ না। লেখলে আমার সমস্যা হবে।’ তখন হাফেজ আহমদ উঁচু কাটা পাহাড়ের নিচে কোদাল হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

স্থানীয় দুজন জানিয়েছেন- পাহাড় কাটার পাশাপাশি হাফেজ আহমদ আইন না মেনে তামাকচুল্লি, লেবু বাগান ও পানের বরজ নির্মাণ করেছেন বনবিভাগের জায়গাতেই। তার এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন একেবারেই চুপ। বনবিভাগের লোকজন পুড়েরঝিরিঘোনায় গেলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়েই ফিরে আসেন।

এ প্রসঙ্গে গিলাতলী বনবিট কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন- ‘আমি নতুন এসেছি। পুড়েরঝিরিঘোনা পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •