পেকুয়া সংবাদদাতা:
আর মাত্র দেড় লাখ টাকা অর্থ সহায়তা পেলে বেঁচে যেতে পারেন পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের সবজীবন পাড়া এলাকার হারুনুর রশিদের ক্যান্সার আক্রান্ত স্ত্রী তিন সন্তানের জননী ফাতেমা বেগম (৪০)।

ইতিমধ্যে ক্যান্সার আক্রান্ত এ মায়ের জন্য বন্ধুদের সহযোগিতায় প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার অর্থ সহায়তায় সংগ্রহ করেছেন তার কলেজ পড়ুয়া ছেলে হাসান উদ্দিন রিমন। ‘তিন লাখ টাকা সহায়তা পেলে বাঁচতে পারেন ফাতেমা বেগম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ তার জন্য অর্থ সহায়তা দেন।

জানা গেছে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিন সন্তানের জননী ফাতেমা বেগমের ক্যান্সার ধরা পড়ে। তার চিকিৎসা জন্য ইতিমধ্যে তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে পরিবারের। সহায় সম্পত্তি যা ছিল সবকিছুর বিনিময়ে এতদিন চিকিৎসা চালিয়ে গেছেন স্বামী হারুনুর রশিদ। স্ত্রীর চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতিমধ্যে তিনি প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ধার নিয়েছেন এক লাখ টাকারও বেশি অর্থ।

স্বামী হারুনুর রশিদ বলেন, চট্টগ্রামের আসকার দীঘি এলাকার মাউন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ডাঃ শামীমা আনোয়ারের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে প্রতিমাসে তাকে কেমোথেরাপি দেয়া হচ্ছে। আর দুটি কেমোথেরাপির পর অপারেশন করতে হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। স্ত্রীর অপারেশনের জন্য তিন লক্ষাধিক টাকা প্রয়োজন হবে বলেও জানান স্বামী হারুনুর রশিদ।

ছেলে হাসান উদ্দিন রিমন বলেন, মোঃ ফরহাদের নেতৃত্ব জিএমসির ২০১৬ ব্যাচের বন্ধুরা আমার মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ করে দিয়েছেন। এতে আরো সহযোগিতা করেছেন রাশেদুল ইসলাম, মোঃ রুমন, মেহেদী হাসান, হাসান উদ্দিন রিমন, তৌহিদুল ইসলাম, সাজিদ, তারেক তাহের, আকাশ, খোকন, মতিউর রহমান, এহাসান, মোমেন, মিরাছ, মোঃতারেক, সাইফুল, হিরণ, রায়হান কবির বাবু, মোঃওমর ফারুক, আব্দর রহমান সহ আরো অনেক বন্ধু। আমি তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা যদি আরেকটু এগিয়ে আসেন, উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে হয়তো আমার মাকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে।

বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নাসির উদ্দিন বলেন, ক্যান্সার আক্রান্ত ফাতেমা বেগমের বড় ছেলে হাসান উদ্দিন রিমন পড়াশোনা করেন চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইউষ্টিটিউটে। কম্পিউটার ইন্জিয়ারিংয়ের ষষ্ঠ সেমিস্টারে ছাত্র সে। মেয়ে রাজিয়া সোলতানা রিপন পড়ছেন চকরিয়া সরকারি কলেজের এইচএসসি ১ম বর্ষে ও ছোট ছেলে হোসাইন উদ্দিন পড়েন ফাঁশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায়। সে এবারে জেডিসি পরীক্ষার্থী। টাকার অভাবে ফাতেমা বেগমের চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা বন্ধের উপক্রম হয়েছে। বর্তমানে তার ওষুধ, পরীক্ষা ও কেমোথেরাপির জন্য প্রতিমাসে প্রয়োজন হচ্ছে প্রায় ৩০হাজার টাকা। ক্যান্সার আক্রান্ত এ নারীকে বাঁচাতে আমিও সবার কাছে আর্থিক সহযোগিতার অনুরোধ জানাচ্ছি।

আর্থিক সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা-
ফাতেমা বেগম, বিকাশ পারসোনাল- 01819033852
ব্যাংক হিসাব নংঃ-
ফাতেমা বেগম A/C- 019212200005234
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক,পেকুয়া শাখা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •