জাপান থেকে বলছি : বর্তমান প্রেক্ষাপট, সততা, সমন্বয় এবং অগ্রগতি…!

সিরাজুল কাদের

প্রকৃতির বৈচিত্রতা, ধ্যান-জ্ঞানে মগ্ন ঋষি, আমার গাঁওয়ের চাষী করিম উদ্দীন, পল্লী গাঁয়ের দুরন্তপনায় বিচলিত টগবগে যুবক মোস্তফা, বিভিন্ন পেশাজীবি, আর গন্ডিবদ্ধ জীবনে তন্দ্রাহীন নগরে কৃত্রিম পরিবেশ-প্রতিবেশে বেড়ে উঠা পাভেল, আপেলদের জীবনপন্জীগুলো থেকে অনাগত প্রজন্মের তরে বিধাতার এই নৈসর্গিক প্লানেটে জীবনধারাতে আমরা কোন প্রভাব, শিক্ষা, সংস্কৃতি, এবং প্রযুক্তি বিধৃত করে যাচ্ছি তা যেন কালের এক অচিন্তনীয় ইস্যুতে রুপ নিয়েছে।

আত্মগরিমা, অহংকার, ইগোফোবিয়া, শক্তিমত্তা প্রদর্শন, নিজকে জাহির করা এবং ন্যায়- অন্যায়ের বালাই উড়িয়ে ধনাঢ্য শ্রেনীভূক্তির অসম এবং দ্রুত প্রতিযোগিতার উপসর্গগুলো কেমন জানি সমাজ,রাষ্ট্র এবং ধরনীর এক একটি স্তরে বড়ই দুর্দমনীয় গতিতে ধেয়ে চলছে। এগুলোকে তদারকি বা দায়িত্বজ্ঞান থেকে লাগাম টেনে ধরার যেন কেউ নেই। স্বার্থান্ধ এবং লোভ-লালসার টর্নেডোতে যেন সর্বৈব কুপোকাত সৃষ্টির সেরা মানবজাতি। কেবল চাওয়া-পাওয়ার মন্ত্রতে সবাই মণ্ত্রমুগ্ধ। তবে স্মর্তব্য আজ চলে যাওয়া দিন-ক্ষণ এবং কর্মই অনাগত প্রজন্মের জন্য ইতিহাস এবং দৃষ্টান্ত যা পূর্বাপর শতাব্দী এবং সময় ধরে অনন্তকাল এক চলমান ধারা। যারা সঠিক ইতিহাস এবং দৃষ্টান্ত সৃষ্টিতে কালোত্তীর্ণ ভূমিকাতে অবর্তীর্ণ হয়েছিলেন তারা আজ বরনীয় ও অনুকরনীয় চরিত্রে তাদের অশরীরী আত্মার সরব উপস্হিতি সর্বক্ষেত্রে বিরাজমান এবং কাল- ইতিহাস তাদেরকে সমাদৃত করেছে। পক্ষান্তরে বিপরীত চরিত্রে তথা নিজ স্বার্থান্ধের মোহে যারা গা ভাসিয়েছে তাদেরকে ইতিহাস শুধু ক্ষমা করেনি বরং কুকীর্তির খলনায়ক হিসেবে ধিকৃত গোষ্টীর নিকৃষ্ট গহ্বরে ছুঁড়ে ফেলেছে। সুতরাং সাধু সাবধান!

উপরোল্লেখিত ভাবনাগুলো কেন যে আজ আমাতে ভর করেছে সে কথা চিন্তা করতেই কেমন জানি কিলবিল করা ব্রেন সেলগুলো দ্রুতবেগে এদিক-ওদিক ছুটতে থাকে, সাথে যখন আপন মাতৃভুমির হাল-হকিকত দর্পনের প্রতিফলিত প্রতিবিম্বে দৃষ্টিগোচর হয় তখন চৌদিকে দাবড়িয়ে বেড়ানো বহুমাত্রিক হাহাকার, নৈরাজ্য এবং অনিয়মতান্ত্রিকতার কফিনে আবৃত এক সুবিশাল গগনবিদারী মিছিলের আর্ত চিৎকার এবং লম্পঝম্প; যার জঠর থেকে আজ তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে সমাজ এবং রাষ্ট্র অধিপতিদের উচ্চমার্গীয় জীবন ধারার রস এবং ঝোল ভক্ষণের লোভে লোভাতুর হয়ে দলীয় লেজুড়বৃ্ত্তির খোলস থেকে এক দুর্বৃত্তায়ন গোষ্ঠীর জন্ম;এদের কুপ্রভাবে আমার মাতৃমঙ্গল ছায়াতে এক অদৃশ্য অপছায়া ভর করেছে যার পরিক্রমায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, মাদক এবং জুয়া সহ সামাজিক অনেক অপকর্মের থাবায় নয়নাভিরাম এবং সৌন্দর্যের বেষ্টনীতে আবৃত জনপদে রক্তের হোলি খেলা চলছে অবিরাম।মনুষ্যত্বের স্খলন কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে নিয়মিত খবরের কাগজ এবং সোশ্যাল মিডিয়া দেখলে বা পড়লে আঁতকে উঠার মত অবস্থা। সামাজিক অবকাঠামোতে সম্প্রীতির বন্ধন চোরাবালিতে আটকে পড়া একাকী এক পরিব্রাজক; আশপাশে কেউ নেই উদ্ধারে এগিয়ে আসার, সলিল সমাধির প্রান্তিক লাইনে দাঁড়িয়ে শেষ পরিণতির প্রহর গুনছে।

আমার প্রতিবেশী দেশ ভারত সবদিক দিয়ে আমাদেরকে করদ রাজ্যে পরিণত করতে চায় কখনো সীমান্তে বাংলা মায়ের সন্তানদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে, কখনো যুগ যুগ ধরে বসবাস করা আসামীজদের এন, আর, সি’র ধুয়ো তুলে বাংলাদেশী নাগরিক সাব্যস্ত করে এ দেশে ফেরত পাঠাতে চায়। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমদানী রপ্তানীর ডেমোগ্রাফিক ফিগারে অসংখ্য ভারতীয় পন্যের বাজারে সয়লাব বাংলাদেশ যেন তাদের কাছেই জিম্মি পণ্যের হাটে পরিণত হয়েছে। একটু হাল্কা চোঁখ বুলালে বুঝতে পারবেন কি পরিমান একচেটিয়া বাজার দখল করে আছে যেমন: রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামে গন্জে অটো রিক্সার প্রচলন বেশী আর এই অটোরিক্সা সিংহভাগ বাজার ইন্ডিয়ার দখলে বিনিময়ে মিলিয়ন বিলিয়ন ডলার এখান থেকে রপ্তানী মুদ্রা নিয়ে যায়। হায়রে কপাল!আজ যদি একটা অটো রিক্সার তৈরীর ও শিল্প স্থাপন করতে পারতাম শুধু এই খাত থেকে বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ আমাদের দেশে থাকত! এই শিল্প স্থাপন কি এত কঠিন? না, এটি করতে গেলে মাড়োয়ারী বেনিয়াদের দোসররা রাষ্ট্রীয় কুলাংগারদের যোগ সাজশে ফিজিবিলিটি স্টাডিসহ বিভিন্ন নামে বেনামে রিস্ক ফ্যাক্টর দেখিয়ে লোকসানের ক্রোড়পত্র হাজির করবে, এতে সৃজনশীল এবং প্রতিশ্রুতিশীল উদ্যাক্তাদের উদ্যোগ ভেস্তে যাবে। কেননা ঐদিকে ভূত আছে, গেলে ভূতে গিলে ফেলবে…!!বড় বড় মুলা ঝুলানো বিভিন্ন চুক্তির কুট চালে দাবার চালের মত চারদিকে চেক আর চেক অবস্থা; স্থান পরিবর্তন করে সেইফ জোনে যাওয়ার সুযোগ যেন দুরতিক্রম্য। আমরা রাষ্ট্রীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে গেলে বড় দাদা গোস্সা হয়, চীন আমার দেশে গভীর সমুদ্র বন্দর করতে গেলে তাদের কপালে ভাঁজ পড়ে, রাশিয়া পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প করতে গেলে ইনারা গাল ফুলে বসে থাকে, জাপান আমাদের দেশে মেট্রো রেলের মেগা প্রজেক্টে সাইন করলে উনাদের চক্ষু আরব্য রজনীর দৈত্যের রুপ ধারন করে, ক্রিকেটে বাংলাদেশ একধাপ আগালে তাদের হিংসার অন্ত থাকেনা; ধোনীরা মোস্তাফিজদের ঠুনকো প্রাণী মনে করে ধাক্কা দিয়ে পিচে ফেলে দিতে চায়, বাংলাদেশ একটু হারলে প্রতিহিংসার সব উপাদান দিয়ে গা জ্বলে উঠে মত সোশ্যাল মিডিয়াতে ট্রল করে! গার্মেন্টস সেক্টরে তাদের সব রথী- মহারথীদের ব্যবস্থাপনায় প্রতি বছরে আমার এই ছোট দেশ থেকে প্রতি বছর চাকরী খাতে ১.৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যায়। আরো কত অদৃশ্য এবং অন্তর্জালিক অর্থনৈতিক আগ্রাসনের শিকার অসহায় আমার জন্ম ধরতী। জননী-জন্মভূমি আজ প্রতিবন্ধীতায় আক্রান্ত; ক্রাচে ভর করে কদম দিতে গেলে পূর্বে থেকে বড় দাদাদের তৈরী করা খানা-খন্দকের বন্ধুর পথ মাড়ি দেয়া দুর্বেধ্য।
আর অন্যদিকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র মায়ানমার যুগযুগ ধরে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে এদেশের স্বাভাবিক জীবন যাত্রাতে কখনও বিদ্রোহি কমিউনিষ্ট গ্রুপ, কখনো রোহিংগা রিফিউজি, কখনো জাতি হননকারী মাদক, আবার কখনো কালোবাজারী পণ্যের সারি সহ ইত্যকার রাষ্ট্র অনিষ্টকারী কর্মের গোপন এজেন্ডা নিয়ে আমার মাতৃভূমিকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার মিশনে সদাসর্বদা তৎপর ছিল এবং আছে। সর্বশেষ, মানবতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের সব ধারাকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে স্মরণ কালের ইতিহাসে জাতি নিধনের নামে রোহিংগা জনগোষ্ঠীর উপর বর্বর গণহত্যা চালানোর কারনে প্রাণ ভয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসা অসহায় রোহিঙ্গাদের পদভারিতে আজ কক্সবাজারের জনপদ রোহিঙ্গা অধ্যুষিত জনপদে পরিণত করেছে। মানবতার ভারে ক্লিষ্ট সবুজ অরণ্যবেষ্টিত দক্ষিন কক্সবাজার আজ হালের গ্লোবাল ওয়ার্মিং এবং ক্লাইমেট চেন্জের অন্যতম ভিক্টিম। অন্যদিকে আশ্রিত কিছু রোহিঙ্গাদের চলমান পরিস্থিতির Risk Analysis করলে যে চিত্র দৃশ্যমান হয় তাতে সার্বিক দিক দিয়ে স্থানীয় জনগোষ্টী অত্যসন্ন বিপদ এবং জনসংহারী রুপে জাগতে শুরু করা মনুষ্য সৃষ্ট ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং স্ফুলিংগের ঘুমোট আভার রশ্মিরেখা দেখতে পাচ্ছে যা ভয়াবহ আকারে বহুমূখী পরিণামে আবির্ভূত হবে যেটা বিশ্বব্যাপী Box office hit, Blockbuster Movie “Resident Evil “ এর মত T VIRUS একজন থেকে অন্যজনে সংক্রমিত হয়ে মনুষ্যের বিকৃত রুপ একজন আরেকজনকে গ্রাস করে এক ভূতুডে পরিবেশ সৃষ্টি করবে, যেখানে কেউ সুস্থ থাকার সুযোগ যেন মরীচিকা যতক্ষন না Anti Virus পুশ করা না হয়। যদিও এখনও সময় আছে যথাযথভাবে একে মোকাবেলা লগ্নে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিকল্পনামাফিক পদক্ষেপ নেওয়ার। Permanent and Sustainable Repatriation কে মেইন এবং কম্পলসারী ইন্ডিকেটর হিসেবে বেস করে সময়োচিত এবং দুরদর্শী পদক্ষেপই হবে সংক্রামক এই রোহিংগা ইস্যুর T Virus এর Anti Virus. অন্যথায় কি কুরুক্ষেত্র যে অপেক্ষা করছে তা বর্ণনাতীত!

এদিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার দিকে খেয়াল করলে দেখা যায় লুটপাটের লাগামহীন ঘোড়া যেন ইতিহাসের তৈমুর লং এবং চেংগিশ খানের মত ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে আসছে সকল রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক খাতকে গোঘ্রাসে গ্রাস করার জন্য। সবখানেই প্রতিযোগিতা লক্ষ্যণীয় কার আগে কে লুটপাটের মহড়ায় অংশগ্রহন করতে পারে।যার পরিক্রমায় অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৯ এর মার্চ পর্যন্ত ঋণ খেলাপির পরিমাণ দাঁড়িয়েছ ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা..!! ওয়াশিংটন ভিত্তিক গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল ইনস্টিটিউট বলেছে ২০১৫ অর্থ বছরে ৫.৯ বিলিয়ন ডলার, ২০১৪ অর্থ বছরে ৮.৯৭ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশী মুদ্রা দেশের বাইরে চলে গেছে। ২০১৮ সালের হিসেব অনুযায়ী সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশী ন্যাশনালদের একাউন্ট ২৮.৩৩% হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর বাংলাদেশের অর্থনীতি সমিতির তথ্যানুযায়ী ৩ লাখ কোটি মত ব্লাকমানি বা অপ্রদর্শিত অর্থ রয়েছে। ক্যাসিনোর কালাকাররা এসব দেশী মুদ্রাকে সদলবলে বিদেশে পাচার করে, আবার নেতৃস্থানীয় অর্থ লোপাটকারীরা সিংগাপুর, ফিলিপাইন এবং নেপাল সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ক্যাসিনো স্লটে দেশীয় ঘামঝরা অর্থ দেদারচে বিলীয়ে দেয়! বিদেশে সেকেন্ডহোমের নামে চলে যায় অগণিত মুদ্রা। আর দেশীয় ব্যবসায়ী নামদারী কিছু কুলাংগার এবং তাদের চেলা-চামুনডারা সিজন ভিত্তিক নিত্যপণ্যের মজুদ করায়ত্ত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে ফলে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে জন সাধারনদের নাভিশ্বাস উঠে এবং নাকাল করে দেয় দেশবাসীকে। একদিকে মানুষ খাবার জন্য পিঁয়াজ পাইনা অন্যদিকে কর্ণফুলির তীরে বস্তা পঁচা পিঁয়াজ, হায়রে সেলুকাস! সবাইকে ঠকিয়ে কিছু উপরি ইনকামের ব্যবস্থা করতে পারলে যেন “কেল্লা ফতে”! আর আমরা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চারা পিয়াঁজের মূল্য ক্রিকেটের ইনিংসের মত শতক, দ্বিশতক এবং তিন শতক পার করেছে বলে সোশ্যাল মিডিয়াতে ট্রল করে লাফাই..!! কাজের কাজ কিছুই হয়না। দিন যায়, আবার আসে নতুন সংকট এতে যেন আমরা কেন্দ্রীভুত। দেখার যেন কেউ নেই!
সুতরাং উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে যা উপলদ্ধি হয় তাতে দেখা যায় একদিকে প্রতিবশী দু’দেশের বহুমূখী আগ্রাসনে প্রতিনিয়ত বিষাক্ত নখর থাবা অন্যদিকে দেশীয় লুটেরাদের লুটপাটের রাজত্ব কায়েমের নগ্ন প্রতিযোগিতার বলির পাঁঠাতে পরিণত হয়েছে মাতৃসম স্বদেশ। হেলায় বেলা অনেক কেটে গেছে সকলেই জাগ্রত বোধের একটু টনক নাড়ি সময়ের স্রোতে;কেননা নগর পুড়লে দেবালয় এড়াইনা। তাই আজই সময় অন্যের উপর নির্ভরতা কমিয়ে সু-শাসনের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র পরিসরে যা আছে তা নিয়ে বলীয়ান হয়ে উদ্ভূত প্রতিবেশী রাষ্ট্রদ্বয়ের চেপে দেয়া সার্বভৌমত্ব এবং অর্থনৈতিক হুমকির বিষয়গুলো বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে রাষ্ট্র এবং সকলকে। মানি লন্ডারিং ইস্যুতে জিরো টলারেন্স নীতি সহ উপরোল্লেখিত বিভিন্ন খাতে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা করে ঐ অর্থ দিয়ে বৈশ্বিক এবং দেশীয় চাহিদানুযায়ী শিল্প প্রতিষ্ঠা করা এবং মজুদদারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে জনজীবনে স্বস্তি আনয়নের কল্যাণমূখী চিন্তার প্রসারতা বৃদ্ধি করতে হবে। যেভাবে জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে দাঁড়িয়ে সবে মিলে একযুগে কাজ করে বিশ্বব্যাপী মেইড ইন জাপান ব্রান্ড তৈরী করে উৎকর্ষতা অর্জন করেছে;
আজকের প্রেক্ষাপটে ঐসময় জাপানের আর্থিক সক্ষমতা যা ছিলনা তার চাইতে অনেক অনেক বেশী আমাদের আছে। তেমনিভাবে আমরাও চাইলে পারব। শুধু সততার ভিত্তিতে বিভিন্ন খাতে দক্ষ জনগোষ্ঠি তৈরী করে সমন্বয়ের অভাব। যদি এই সমন্বয়টা যথাযথ করতে পারি তাহলে তড়িৎ গতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের মাধ্যমে অকল্পনীয় সম্ভবনা এবং উন্নয়নের মাইলফলকে বিশ্বের দরবারে জননী-মাতৃভূমি এক দৃষ্টান্তমূলক রাষ্ট্র হিসেবে রোল মডেলে পরিণত হবে বলে আশায় বুক বাঁধি যার প্রেক্ষিতে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর নীঢ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে প্রিয় জন্মভূমি এবং আসবে অগ্রগতি।
উল্লেখ্য নারায়ণগন্জের জিন্জিরা এবং পুরান ঢাকার ধোলাই খালের লোকেরা যদি মূহুর্তের মধ্যে কপি করে বিশ্বের বিভিন্ন ব্রান্ডের পণ্য এবং মেশিনারী পণ্য তৈরী করতে পারে তাহলে অবাদ তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে অন্তত বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রের ভাল সিস্টেমগুলোকে কপি করে চাইলে দেশকে সকলে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। শুধু মাত্র সকলের সততা এবং সদিচ্ছাকে সমন্বয় করলে সবই সম্ভব! “So, Let’s start together with multi Dimension for new Horizon”

সর্বশেষ সংবাদ

এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

রোহিঙ্গা গণহত্যার ১ম দিনের শুনানি শেষ, যা জানানো হলো আদালতকে

চট্টগ্রাম-৮ আসনে উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান

টিসিবি’র পেঁয়াজে রাঙামাটির বাজারে স্বস্তি, ক্রেতাদের ভিড়

কক্সবাজার জেলা ফুটবল লীগ উদ্বোধন

সিএমপি’র ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে ১১ ডিসেম্বর

খরুলিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি ও মারধর করে দোকান দখল

লোহাগাড়ায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

জনগণের ভ্যাটেই দেশ উন্নয়নে এগিয়ে যাবে -মেয়র নাছির

ঈদগাঁওতে দুই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আটক

পেকুয়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপন

শাপলাপুরে হবে ত্রিমূখী লড়াই

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে মিয়ানমারে গণহত্যার প্রমাণ পেয়েছি-গাম্বিয়া

কক্সবাজারে উৎপাদিত পণ্যে ’মেড ইন কক্সবাজার’ নামে ব্রান্ডিং করার পরামর্শ ব্যবসায়ীদের

হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার শুনানি শুরু

মহেশখালীতে বিপুল পরিমাণ মালামালসহ অস্ত্র কারীগর গ্রেফতার

কক্সবাজারে ৬ লাখ ৩৫ হাজার জনকে দেয়া হচ্ছে কলেরা টিকা

মানবাধিকার বিড়ম্বনায় কেরামত আলী

পেকুয়ায় ভাই ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম, বাড়ি ভাংচুর

ভিপি নুরের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা