নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
টেকনাফের সেন্টমার্টিনে লাওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বাড়ছে। বেড়েছে উপদ্রব। সকাল সন্ধ্যা দলবেঁধে পথে-ঘাটে দৌড়াদৌড়ি করে বিভিন্ন জাতের কুকুর।
কোন ধরণের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় দ্বীপের বীচ এলাকা কুকুরের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এটি স্থানীয়দের যন্ত্রণা-বিড়ম্বনার পাশাপাশি পর্যটক জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ায় বীচ এলাকায় প্রচুর পর্যটক সমাগম ঘটছে। কিন্তু ‘লাওয়ারিশ’ কুকুরের দল দেখে অনেকে ভয় পেয়ে যাচ্ছে।
ভোর বেলায় পর্যটকরা যখন সূর্যোদয় দেখতে যায় তখন অনেকে কুকুরের হামলার শিকার হচ্ছে বলে জানা গেছে।
একঝাঁক কুকুর যখন তেড়ে দৌঁড়ায় তখন পানিতে ঝাপ দেয়া ছাড়া অন্য গতি থাকে না। এমন ঘটনাও ঘটছে অহরহ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে জানিয়েছে, কুকুরের চিৎকারে সাগরপাড়ের আবাসিক হোটেলের ঘুমন্ত লোকদের ঘুম ভেঙে যাচ্ছে।
কুকুরের বীভৎস চিৎকার ও দৃশ্য না দেখলে বোঝা কঠিন।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের ইউপি সদস্য হাবিব খান জানান, বর্তমানে দ্বীপে প্রায় ১২০০ কুকুর রয়েছে, যা একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) এর মাধ্যমে গণনা করা হয়েছে। কুকুর একটি পোষা প্রাণী হলেও বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তায় কুকুর নিধন খুবই জরুরী হয়ে পড়ছে মনে করেন পর্যটন দ্বীপের সমাজসেবক হাবিব খান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •