নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের পুরো এলাকায় নানা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে চেয়পারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এই পর্যন্ত রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির ও বৌদ্ব মন্দিরের প্রভূত উন্নয়ন সাধন করেছেন। এসব খাতে তিনি নানা প্রকল্পে অন্তত ১০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছেন। তার এই উন্নয়নযজ্ঞে এলাকার মানুষ বেশ সন্তুষ্ট। ইতিমধ্যে তার উন্নয়নযজ্ঞের খবর বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। একই সাথে বিচার-সালিসসহ এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতেও তিনি কাজ করছেন। সব মিলিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক এখন অনুকরণীয় মডেলে পরিণত হয়েছেন।

জানা গেছে, স্বাধীনতা যুদ্ধে কক্সবাজারের প্রথম শহীদ মোহাম্মদ শরীফ চেয়ারম্যানে দৌহিত্র এবং মরহুম ওসমান চেয়ারম্যানের কনিষ্ঠ পুত্র তারেক শরীফ পিতার মৃত্যুর পর রাজনীতিতে নামেন। নেমেই সৎ, সাহসী, মেধাবী ও ন্যায়পরায়ণ তরুণ হিসেবে খুব দ্রæতই তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এর মধ্যে গত ২০১৬ সালের দলীয় ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তারেক শরীফ। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েই তিনি এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখতে একনিষ্ঠভাবে কাজ শুরু করেন। এই জন্য এলাকার রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির ও বৌদ্ব মন্দিরের উন্নয়নে হাত দেন। ইতিমধ্যে দীর্ঘদিন জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক প্রসস্ত ও দু’পাশে ওয়াল দিয়ে ইট বিছিয়ে দিয়েছেন। একই সাথে কয়েকটি এলাকায় নতুন সড়কও তৈরি করেছেন। পাশাপাশি রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির ও বৌদ্ধ মন্দিরেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অন্যান্য খাতে অনুদান দিয়েছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, তারেক চেয়ারম্যান প্রকল্পের আওতায় কালারমারছড়ার মোহাম্মদ শাহ ঘোনায় ১কোটি ৭ লক্ষ টাকার সড়কের কাজ শেষ করেছেন, কালারমারছড়া বড়ুয়া পাড়া বৌদ্ব মন্দিরে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১লক্ষ টাকার অনুদান, কালারছড়ার ঝাপুয়ায় ৭লক্ষ টাকা ব্যয়ে ব্রীজের কাজ সমাপ্ত, কালারছড়া ইউনুছ খালীতে দেড় লক্ষ টাকা ব্যয়ে বক্স কালভাট নির্মান, কালারমারছড়া মাইজপাড়ায় সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গাইড ওয়াল নির্মান, ২নং ওয়ার্ডে (মাষ্টার আবু ছৈয়দ) দেড় লক্ষ টাকা ব্যয়ে গাইড ওয়াল নির্মাণ, কালারমারছড়া নয়াপাড়ায় ৭লক্ষ টাকা ব্যয়ে উভয় পাশ্বস্থ ড্রেইন ও গাইড ওয়াল নির্মাণ, কালারমারছড়া অফিস পাড়ায় সাড়ে ৩লক্ষ টাকা ব্যয়ে গাইড ওয়াল নির্মাণ, মোহাম্মদ শাহ ঘোনায় ৭লক্ষ টাকা ব্যয়ে ড্রেইন নির্মান, ফকিরজোম পাড়ায় ৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে দু’পশ্বে ড্রেইন নির্মাণ, আধাঁর ঘোনা এলাকায় সাড়ে ৪লক্ষ টাকা ব্যয়ে উভয় পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ, মিজ্জির পাড়া এলাকায় আড়াই লক্ষ টাকা ব্যয়ে রাস্তার দু’পাশে গাইডওয়াল নির্মাণ, দেড় লক্ষ টাকা ব্যয়ে কালারমারছড়া উচ্চবিদ্যালয়ে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ, নাপিতপাড়া এলাকায় আড়াই লক্ষ টাকা ব্যয়ে ড্রেইন নির্মাণ এছাড়াও শাপলাপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১লক্ষ টাকা অনুদান, উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় মেরামত করতে ৫০ হাজারসহ, চলমান সড়ক উন্নয়ন আফজলিয়া পাড়াস্থ আকবর হাজ্বী পাড়া সড়ক সংস্কার ও গাইড ওয়াল নির্মাণ, ধলঘাট, মাতারবাড়ি, শাপলাপুর সহ মহেশখালীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক উন্নয়ন মুলক কাজে সহযোগিতা ও অসহায়-গরীবদের সহযোগিতামূলক অনুদান দিয়েছেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, চেয়ারম্যান তারেক শরীফ সাড়ে তিন বছরে যে উন্নয়ন ও অনুদানসহ নানাভাবে সহযোগিতা দিয়েছেন তা বিগত দুই চেয়ারম্যানের সময়ে হয়নি। তিনি এলাকার মানুষের দুঃখ কষ্ট ও বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুভব করে নিজেই এগিয়ে গিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছেন উন্নয়ন প্রকল্পগুলো। এতে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ তার উপর খুব সন্তুষ্ট।

এ ব্যাপারে কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ বলেন, ‘আমার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এলাকার উন্নয়ন ও জনগনের সেবক হয়ে কাজ করে যাব। আমি আমার মরহুম পিতা ওসমান চেয়ারম্যানের আদর্শকে ধারণ করেই এলাকার উন্নয়ন ও গরীব অসহায় মানুষের পাশে রয়েছি এবং থাকবো আজীবন।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •