নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সদরের পিএমখালীর পশ্চিম পাতলী এলাকায় নুরুল আবছার (১৫) নামে আত্মস্বীকৃত সুপারীচোরকে বাঁচাতে জোট বেঁধেছে চোরের স্বজনেরা। উল্টো হুমকি ধমকি দিচ্ছে সুপারী গাছের মালিক পক্ষকে। এ নিয়ে ১০ নভেম্বর কক্সবাজার সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সুপারী গাছের মালিক রেজিয়া বেগম। এতে ৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
তারা হলো- স্থানীয় মৃত সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ) এর ছেলে নুরুল আবছার (১৫), মৃত মোজাফ্ফর আহমদ প্রকাশ ঠান্ডা মিয়ার ছেলে ওবাইদুল হক (৬০) ও ওবাইদুল হকের ছেলে মোহাম্মদ আলম (৩৫)। অভিযোগটি তদন্তাধীন বলে জানান কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. খাইরুজ্জামান।
দায়েরকৃত অভিযোগে উল্লেখ আছে, গত ৭ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে বাড়ির মালিক রেজিয়া বেগম বাড়ি তালাবদ্ধ করে এক আত্মীয়ের বিয়ে অনুষ্ঠানে যান। বিকেলে বাড়ি ফিরে দেখেন, কে বা কারা বসতভিটার সুপারী গাছ থেকে বেশ কিছু সুপারী চুরি করে নিয়ে গেছে। খোঁজাখুঁজির পর স্থানীয় নুরুল আবছারের বাড়িতে সুপারী দেখে এলাকাবাসীকে খবর দেন রেজিয়া বেগম। নুরুল আবছার নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছে। পরে চুরিকৃত সুপারীগুলো মান্যগন্য ব্যক্তিদের সহায়তায় উদ্ধার করে মোহাম্মদ হোছন নামের এর ব্যক্তির জিম্মায় রাখা হয়। বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দা মো. একরামুল হক, হেলাল উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, আবু বক্করসহ অনেকেই জানেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতে ঠিক করা হয় শালিশের দিনক্ষণ। ইতোমধ্যে সুপারী চুরিতে অভিযুক্ত নুরুল আবছার আত্মগোপনে চলে যায়। শালিশ মীমাংসার সময় নিয়ে কালক্ষেপন করতে থাকে স্বজনেরা। অধিকন্তু সুপারীর মালিকপক্ষকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ নানাভাবে হয়রানীর হুমকি ধমকি দিতে থাকে চোরের স্বজনেরা। আত্মস্বীকৃত চোর ও তার প্রশ্রয়দাতাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবী করেছে এলাকাবাসী।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাক আহমদের কাছে জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে। অভিযুক্ত নুরুল আবছার পালিয়ে থাকায় শালিশ বৈঠকে বসা হচ্ছেনা। তবু, উভয়পক্ষকে ডেকে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •