মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শনিবার ৯ নভেম্বর শেষ হবে কক্সবাজারে ৩ দিন
ব্যাপী তাবলীগ জামায়াতের জেলা ইজতেমা। গত বৃহস্পতিবার ৭ নভেম্বর ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মাধ্যমে এ জেলা ইজতেমা শুরু হয়েছিল।

সমুদ্র সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্টের উত্তর পাশের ঝাউবাগানে এ ইজতেমা চলছে। শুক্রবার ৮ নভেম্বর প্রায় ১ লক্ষ মুসল্লীর নামাজ আদায়ের মাধ্যমে জেলার সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় এখানে। এতে খুতবা প্রদান ও ইমামতি করেন তাবলীগ জামায়াতের বিশিষ্ট মুরব্বি মাওলানা মুফতি মোর্শেদুল আলম। জুমার নামাজে অংশ নিতে সকাল থেকে কক্সবাজার শহর ও এর আশপাশের এলাকা থেকে মুসল্লিরা হেঁটে ও দূরদুরান্ত থেকে গাড়ি নিয়ে ইজতেমা ময়দানে আসেন। শনিবার ১১ টার পর আখেরি মুনাজাতের মধ্যদিয়ে জেলা ইজতেমার ৩ দিন ব্যাপী দ্বীনের এই কার্যক্রম শেষ হবে। এই জেলা ইজতেমায় একজন মহিলা সহ ২ জন সাথী মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুবরণকারী একজন মুসল্লি হলো-চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মোছারপাড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোক্তার আহমদ (৫৭)। অপরজন কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সমিতি পাড়ার কামাল বহদ্দারের স্ত্রী হান্না বেগম (৫০)। জুমার নামাজের পর এ ২ জন সাথীর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আতংকে নেই ইজতেমায় অংশ নেয়া তাবলীগ জামায়াতের সাথীরা।সাগর উত্তাল রয়েছে। মাঝেমধ্যে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। শীতল হাওয়া বইছে। সতর্ক সংকেত চলছে। তা স্বত্বেও ইজতেমায় আসা ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইজতেমার ময়দান ছেড়ে কোথাও যায়নি। ঈমানী বলে বলিয়ান হয়ে শববেদারী, নামাজ ও জিকিরে ব্যস্ত রয়েছেন মুসল্লীরা। একজন চিল্লার সাথী সিবিএন-কে বলেন, আল্লাহকে রাজি খুশি করতে ইজতেমায় এসেছি। আল্লাহ সকল বিপদাপদ থেকে আমাদের কে হেফাজত করবেন। আমরা আল্লাহ কে ভয় করি, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কে ভয় করিনা। সুতরাং আতংকের কোন কারণ নেই।

এদিকে, ইজতেমা আয়োজনকারীদের একজন মুরব্বি সিবিএন-কে জানিয়েছেন, শনিবার ৯ নভেম্বর এ জেলা ইজতেমা হতে প্রতিটি টিম ১৫ জন থেকে ২২ জন পর্যন্ত সাথী নিয়ে কমপক্ষে ১২২ টিম বিভিন্ন মেয়াদের চিল্লায় বের হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। শনিবার আখেরী মোনাজাত হওয়া পর্যন্ত এ সংখ্যা বাড়তে পারে বলে উক্ত মুরব্বি ধারণা করছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •