মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু::
পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও রামুর গর্জনিয়া কচ্ছপিয়ায় প্রথম দিনেই ৫কেন্দ্রে ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

শনিবার (২ নভেম্বর) জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং মাদ্রাসার জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। প্রথম দিন জেএসসিতে বাংলা প্রথম পত্র এবং জেডিসিতে কুরআন মাজীদ ও তাজবিদ বিষয়ে সর্বমোট ২২৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২১৯৩ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি ছালেহ আহম্মদ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নাইক্ষ্যংছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চাকঢালা এএইচ এসডিপি মড়েল উচ্চ বিদ্যালয় সোনাইছড়‌িসহ ৪টি শক্ষিা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এতে মোট ৪২৯ জনের মধ্যে ৪২১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন অনুপস্থিত ৮ জন।

রামুর ঈদগড় ও নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় এ দুইটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র সেখানে মোট ৪৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৪৮৩ জন অনুপস্থিত ১০ বলে জানালেন হল সচিবের দায়িত্বে থাকা বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় কলেজেরর প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক।

উপজেলার মদিনাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে ঘুমধুম মিশকাতুন্নবী দখিল মাদ্রাসা, চাকঢালা মহিউচুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা, বাইশারী শাহনুরুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসাসহ ৪টি প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৩১ জন পরীক্ষার্থী এর মধ্যে ৩০৫ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন অনুপস্থিত ১৩ জন ।

এদিকে রামু উপজেলার দূর্গম গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যায়ল,বদিউল আলম স্মৃতি বিদ্যাপীঠ মিলে গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিক্ষা কেন্দ্র। এতে মোট পরীক্ষার্থী ৪৯০ জন উপস্থিত ৪৭৮ জন অনুপস্থিত ১২ জন। হল সুপারের দায়িত্বে থাকা কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবছার উদ্দিন জানান, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ, মনোরম ও নকল মুক্ত পরিবেশে প্রথম দিনের পরীক্ষা অতিবাহিত হয়।

অপরদিকে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত গর্জনিয়া ফইজুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মৌলভীর কাটা আল-গীফারী দাখিল মাদ্রাসা, গর্জনিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসাসহ তিনটি প্রতিষ্ঠানে ৫০৭জন শিক্ষর্থীর মধ্যে ৪৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন অনুপস্থিত রয়েছে ৯ জন। নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসান ও গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর এএস আই মনজুর এলাহী জানান, শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে পালন করে যাচ্ছেন পুলিশ। কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা হলে সাথে সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান সাংবাদিকদের।

এছাড়াও ৫ কেন্দ্রে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে ৫ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। গর্জনিয়া ফইজুুল উলুম ফাজিল মাদ্রসার কেন্দ্র ঈদগড় রেঞ্জ র্কর্মকর্তা এস এম এনামুল হক,গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে রামু উপজেলার সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা সায়েম,বাইশারীতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শাহ আজিজ,ইউএনওর প্রতিনিধি গণ বলেন, সুন্দর পরিবেশে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। কোন রকম বিশৃংখলা ও অনিয়ম হলে সাথে সাথে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তারা।

শনিবার প্রথম দিন নাইক্ষ্যংছড়ি ছালেহ আহম্মদ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলাহ নির্বাহী কর্মকর্তা সা‌দিয়া আফরিন ক‌চি। তি‌নি বলেন, নাইক্ষ্যংছড়িতে অত্যন্ত সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে প্রথম দিনের পরীক্ষা অতিবাহিত হয়েছে। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ডাক্তার এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দায়ীত্ব পালন করছে পুলিশ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •