আমিরাত প্রতিনিধিঃ
বিশুদ্ধ সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত একটি সাংস্কৃতিক সংঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভুত হচ্ছিল অনেকদিন ধরেই। সেই শুন্যস্থান পূরনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্নকে মাথায় রেখে বাংলা সংস্কৃতি চর্চাকে সর্বস্তরে ও বিশ্বের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে দিতে সম্প্রতি বাংলাদেশে তরুনদের নিয়ে গঠিত হয়েছে “ইউথ বাংলা কালচারাল ফোরাম”।
এটি একটি অলাভজনক সংগঠন, যা দেশে ও প্রবাসে বাঙালী ও বাংলাদেশের নানা সাংস্কৃতিক পার্বন ও অনুষ্ঠান উদযাপনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনটি ইতোমধ্যে এর সদস্য ও পরামর্শদাতা হিসেবে দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী শিল্পী সদস্যদের স্বাগত জানিয়েছে।
সংগঠনের লোগো উন্মোচন করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক এডভাইজারি প্যানেলের বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ।
এই সাংস্কৃতিক আন্দালনকে বিশ্বব্যাপী ছিটিয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে প্রসারিত করার লক্ষ্যে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরাম এর একটি শাখা সংযুক্ত আরব আমিরাতেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
দুবাই এর নারী উদ্যোক্তা ও সমাজ সেবক কাজী গুলশান আরার (অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী) আহবানে ও নেতৃত্বে আরব আমিরাতে বসবাসকারী বিশিষ্ট বাংলাদেশী নাগরিক যারা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে দীর্ঘদিন জড়িত তাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠন টি আত্মপ্রকাশ করে। আমিরাতে প্রবাসী প্রবীন রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী মিসেস ইয়াসমিন কালাম এবং জনাব শেখ ফরিদ আহমেদ (সিআইপি) উপদেষ্টা হিসেবে এই সংগঠন এর দায়িত্ব নিয়েছেন।
আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত কমিটির সদস্যরা সম্প্রতি আজমান প্যালেস হোটেলে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সংগঠনের কর্মীদের সামর্থ্যের আভাস হিসেবে এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করার প্রয়াসে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দের কবিতা ও সাহিত্য নিয়ে একটি ব্যাঞ্জনামূলক আলেখ্যা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় “বনলতার জীবনানন্দ” এই শিরোনামে ।
বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি জীবনানন্দ দাশের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসাবে আবৃত্তি, গান এবং নৃত্যের অনবদ্য উপস্থাপনা ছিল এই সৃজনশীল আয়োজনে। সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায় ও বাংলা সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরাম এর অগ্রযাত্রা শুভ হোক, এই প্রত্যাশাই ব্যক্ত হয়েছে অনুষ্ঠানে আগত সকল অতিথিবৃন্দের বক্তব্যে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •