ঈদগাঁহ সংবাদদাতা

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী বাজারে জনগুরুত্বপুর্ন সাবেক পূর্বপাড়া চলাচল রাস্তায় বাসাবাড়ি,মার্কেটের ময়লা পানি ছেড়ে দিয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বাসা বাড়ি, মার্কেটের ময়লা পানির ড্রেইন উম্মুক্তভাবে রাস্তায় ছেড়ে দেয়ায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ পার্শ্ববর্তী সোলতান কোম্পানির বসতবাড়ি, মার্কেট ও বাড়া বাসার ময়লা পানি সরাসরি রাস্তায় ছেড়ে দিয়ে তাদের চলাচলে চরম প্রতিবন্ধকতা করছে।
স্থানীয়রা ময়লা পানির বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে নালিশ দিলে চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রহমান শুক্রবার(২৫ অক্টোবর) বিকেলে সরজমিন পরিদর্শন করে তড়িৎ ব্যবস্থা নিবেন বলে আর্শ্বস্থ করেছেন।
ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড পূর্বপাড়ার বাসিন্দা মরহুম আবদু ছোবহানের পুত্র সালাহ উদ্দীন জানায়, পূর্বপাড়ার একসময়ের জনবহুল এ সড়কটি দখলদারদের থাবায় হারিয়ে যেতে বসেছে। খুটাখালী বাজারের সোলতান কোম্পানির মার্কেটের পাশ ঘেষে সম্পূর্ন চলাচল অনুপযোগি এ রাস্তাটিতে দীর্ঘ বছর ধরে উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি।
অপরদিকে চলাচল রাস্তাটি দিন দিন সংকুচিত হয়ে সরু হয়ে গেছে। চলে না কোন গাড়ি। বর্তমানে হেটে চলাফেরা করা দায় হয়ে পড়েছে।
তার উপর শুক্ষ মৌসুমে চলাচল রাস্তায় সোলতান কোম্পানির বসতবাড়ি, বাড়া বাসা ও মার্কেটের ময়লা পানি ছেড়ে দেয়ায় চরম দূর্ভোগে পড়েছে এখানকার বাসিন্দারা।
সালাহ উদ্দীন, আবদুল মান্নানসহ এলাকার একাধিক বাসিন্দারা জানান, মৌখিকভাবে একাধিকবার মার্কেটের মালিককে বলা হয়েছে। তারা কর্ণপাত করেনা। উল্টো চলাচল রাস্তায় তাদের জমি রয়েছে বলে দাবী করেন।
তারা আরো জানায়, বাড়া বাসা কলোনীর সব ময়লা চলাচল রাস্তায় ফেলে অর্বজনার বাগাড়ে পরিনত করায় স্কুলগামী ছেলে- মেয়েরা শিক্ষা প্রতিষ্টানে যেতে পারছেন না।
জনদূর্ভোগের বিষয়টি
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আনোয়ার হোসেনকে জানানো হলে তিনি লিখিতভাবে পরিষদে নালিশ দেয়ার জন্য পরামর্শ দেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগিরা।
ওয়ার্ড মেম্বার আনোয়ার হোসেন জানান, ময়লা আর্বজনায় চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও জনদূর্ভোগে এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে উঠেছে সত্য। দ্রুত সংস্কার করা জরুরী বলে মনে করেন তিনি।
ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চলাচল রাস্তাটি পরির্দশন করা হয়েছে। ভুক্তভোগিদের লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •