ইমাম খাইর, সিবিএনঃ

সরকারি নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী ৭ম গ্রেড সমপরিমাণ বেতন নির্ধারণসহ পাঁচ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ এসোসিয়েশন (ফারিয়া)।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার পৌর ভবনের সামনের সড়কে সংগঠনটির কক্সবাজার সদর শাখা এই কর্মসূচি পালন করে।
দাবিসমূহ হলো -বর্তমান মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে টিএ ডিএ প্রদান, চাকুরির নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা বিধানসহ একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, ফারিয়াকে সরকারি স্বীকৃতি প্রদান ও সাপ্তাহিক ছুটিসহ সকল জাতীয় ছুটি ভোগের বিধান রাখা।
ফারিয়া কক্সবাজার সদর শাখার সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন -ওষুধ কোম্পানিগুলো তাদেরকে যেন তেনভাবে ব্যবহার করলেও উপযুক্ত পারিশ্রমিক দেয় না। বরং কথায় কথায় ছাঁটাই করে। বছরের পর বছর চাকুরি করেও পদোন্নতি পায়না সিংহভাগ কর্মকর্তা। মাসিক টার্গেট পূরণে ব্যর্থ হলে বেতন থেকে টাকা কেটে নেয় অনেক কোম্পানি। যে কারণে অনেককে শূন্য পকেটে মাস শেষে বাড়ি ফিরতে হয়।
সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইনের সঞ্চালনায় এতে নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সহ সভাপতি মাসুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম, উপদেষ্টা জিয়াউল আজিজ, খন্দকার মহিবুল হাসান, মুন্না দেব, হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।
কক্সবাজার সদর এলাকায় কর্মরত বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভে স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করে।
ওইসব প্ল্যাকার্ডে লেখা হয়েছে -‘৪-পিসহ সব ধরনের এনজিও সার্ভে এবং প্রেসক্রিপশনের অনৈতিক ছবি তোলা বন্ধ করা’, ‘বেতনের যুক্তিসঙ্গত একটি ন্যূনতম সীমা নির্ধারণ’, ‘সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে ভিজিট সীমাবদ্ধতা উঠিয়ে দেয়া’, ‘প্রতিটি কোম্পানিতে প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুয়িটি চালু’, ‘প্রত্যেক প্রতিনিধির জন্য ইন্সুরেন্স পলিসি করা’, ‘ব্যাংক চেক বা মূল সনদ জমা না নেয়া’, ‘সেলস ও মার্কেটিং বিভাগ আলাদা করা’, ‘প্রতিটি কোম্পানিতে উৎসব বোনাস চালু।’
এসব দাবি নিয়ে রবিবার (২০ অক্টোবর) জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি প্রদান করবে বিক্ষোভকারী ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •