আলাউদ্দিন, লোহাগাড়া :

“সবার সুখে হাসবো আমি,কাঁদবো সবার দুঃখে
নিজের খাবার বিলিয়ে দিবো অনাহারীর মুখে”
এই শ্লোগান কে বুকে ধারণ করে ছাত্র জীবন থেকে মা মাটি মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তারেক আজিজ চৌধুরী। তিনি একজন দক্ষ সংগঠক ও সমাজকর্মী তার হাতে গড়া সংগঠন লোহাগাড়া তরুণ ঐক্য ফোরাম আজ লোহাগাড়া উপজেলার জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন হিসাবে ধারণ করেছে। তারেক আজিজ চৌধুরী ছাত্র জীবন থেকে সামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে প্রবাস জীবনে শত ব্যস্তার ও সমস্যা মধ্য মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
লোহাগাড়া উপজেলার ২নং আমিরাবাদ ইউনিয়নের মল্লিক ছোবাহান হাজীর পাড়া গ্রামের সম্ভান্ত্র পরিবারে তার জন্ম তার পিতামত(দাদা) সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি ও প্রবীণ শিক্ষক এবং সকলের সু পরিচিত ব্যক্তি মরহুম মাষ্টার ছিদ্দিক আহমদ চৌধুরী। তার পিতা মাওলানা জসিম উদ্দিন ফারুকী ও একজন শিক্ষক। তার মমতাময়ী মা নূরজাহান বেগম একজন গৃহিনী। পরিবারের ২ভাই ও ৪বোনের মধ্য সবার বড় তারেক আজিজ চৌধুরী।তারেক আজিজ চৌধুরী বিগত সময় ধরে সামাজিক ও মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন তার মধ্য উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে বিনামূল্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, অসহায় রোগীর চিকিৎসা সহায়তায় ফান্ড গঠন ও সহায়তা,মাদক,জুয়া সহ লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন সময়ে গড়ে যাওয়া সকল অপসংস্কৃতি ও মেলার নামে জুয়াডির বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ করেছে এবং প্রবাসে থেকে ও করে যাচ্ছে।তিনি সৌদি আরব প্রবাসী হাওয়ার অল্প কিছু দিন পর লোহাগাড়া উপজেলার সৌদি আরবে অবস্থানরত সকল প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্য প্রবাসীদের কল্যাণে গঠন করেন লোহাগাড়া প্রবাসী সমিতি সৌদি আরব আজ উক্ত সংগঠন সৌদি আরবে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আলোচিত সংগঠন হিসাবে ধারণ করেছে এবং পাশাপাশি প্রবাসীদের কথা, সমস্যা সম্ভাবনা দেশ এবং জাতির কাছে তুলে ধরতে সৌদি আরব থেকে সম্পাদিত করতেছে প্রবাসীদের মুখপাত্র প্রবাসী ভয়েস পত্রিকা এবং অল্প কিছু দিন পর অনলাইন দৈনিক নিউজ পোর্টাল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করবে।
প্রবাসে শত সমস্যা ও কর্মব্যস্তার মধ্যে তিনি জুড়ে যান সমস্যারত প্রবাসীদের পাশে শুনেন তাদের সমস্যা কথা চেষ্টা করেন সমাধানের। শুধু তাই নই তার কর্মের অবসর সময়ে ও সংগঠন ও মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।এই কর্মবীর তরুণ সংগঠক ও সমাজকর্মী তারেক আজিজ চৌধুরী বলেন আমার এই ত্যাগ ও শ্রমের মধ্য যদি সমাজ ও মানবতার কল্যাণ হয় তা আমার জন্য যথেষ্ট যে জন্য আমার কোন বিনিময় লাগবেনা। বিগত সময়ের মতো আগামীতেও মা,মাটি,মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
মানুষের কল্যাণের মধ্যে যে আনন্দ উপভোগ করি যেটা মনে করি আমার মায়ের মুখের হাসি আর পৃথিবীতে মায়ের মুখে হাসি চাইতে দামী আর কিছু নাই।
আমি ঘুনে ধরা সমাজটা কে পরিবর্তন করতে চাই একটু ভিন্ন কিছু উদ্যোগের মাধ্যমে কারণ তারুণ্যের উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা পারে ঘুনে ধরা সমাজটা পরিবর্তন করতে। সমাজ থেকে মাদক,সন্ত্রাস, অপস্কৃতি মুক্ত আলোকিত সমাজ গড়তে এর জন্য প্রয়োজন সৎ,যোগ্য,সাহসী তরুণ নেতৃত্ব পাশে থাকুন আমিও আছি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •