মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া:
চকরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিনদিন চরম উন্নতির দিকে এগুচ্ছে। থানা পুলিশের চৌকস অফিসারদের চিরুনী অভিযানে গ্রেফতার হচ্ছে বাঘা-বাঘা সন্ত্রাসী আর মাদকের গডফাদার। প্রতিনিয়ত উদ্ধার হচ্ছে গোলাবারুদ ও মাদকের চালান। ফলে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দিনাতিপাত করছে সাধারণ মানুষ।

ঠিক সেই মুহুর্তে চকরিয়া থানা পুলিশের এ সুনামকে ক্ষুন্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সোর্স নামধারী লোকের কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ জনগণ। অভিযোগ উঠেছে পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে ঘুষ দাবী করছে মোঃ নাছির উদ্দিন নামের এক যুবক। সে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের রিংভং (১নং ওয়ার্ড) সোয়াজানিয়া মাঝের পাহাড় এলাকার মোঃ শাহা আলমের ছেলে।

ভুক্তভোগী খুটাখালী ইউনিয়নের কুতুব উদ্দিন নামের যুবক জানান, সোর্স পরিচয় বহনকারী নাছির উদ্দিন তার কাছ থেকে থানা পুলিশের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অযুহাতে টাকা দাবী করছে। টাকা দাবী করার সময় তার একটি ভয়েজকল কৌশলে রেকর্ড করা হয়। পরে ধারণকৃত অডিও রেকর্ডটি গণমাধ্যমের কাছে পৌঁছে।

এতে শোনতে পাওয়া যায়, নাছির উদ্দিন চকরিয়া থানার ছবির দেওয়ান নামের এক পুলিশ কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে বিশ হাজার টাকা দাবী করছে। পরে দর কষাকষির একপর্যায়ে টাকার অঙ্ক কমিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার জন্য পাঁচ হাজার ও তার নিজের জন্য এক হাজার টাকা দাবী করে। অথচ খবর নিয়ে জানা গেছে চকরিয়া থানায় ‘ছবির দেওয়ান’ নামের কোন পুলিশ কর্মকর্তাই নেই।
এভাবে নাছির উদ্দিন টাকা আদায় করতে মানুষকে জিম্মি পূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জনের আরো অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নাছির উদ্দিনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সে বলেন, এরকম কারো কাছ থেকে কোনপ্রকার টাকা নেননি এবং দাবীও করেননি। তার নিজের কন্ঠে টাকা দাবীর প্রমাণ থাকার কথা জানালে সে ফোনের সংযোগ কেটে দেয়।
এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমানের সাথে কথা বলতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •