জাকের উল্লাহ চকোরী :

অবিভক্ত বাংলা, পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ৩ অধ্যায় নিয়ে এ প্রতিবেদনটি লেখা হবে। এ প্রতিবেদনটি লিখতে আমাকে সার্বিক ভাবে যারা সহযোগিতা করেছেন, তারা হলেন আমার দীর্ঘদিনের সহযোগী চকরিয়ার সুখী সাংবাদিক চকরিয়া সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির অর্থসম্পাদক মো.সাইফুল ইসলাম খোকন, চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল মজিদ, চট্টগ্রাম সরকারী কলেজে অধ্যায়নরত আমার বড় ছেলে শাকিলোর রহমান শাকিল।

তথ্য সূত্র- আমার ৪০ বছরের সাংবাদিকতা জীবনের পুরানো পত্রিকা, বিভিন্ন বই ও ম্যাগাজিন থেকে এ তথ্য সংগৃহীত হয়েছে। প্রতিবেদন গুলো ধারাবাহিক ভাবে আমার ফেইজবুক নিউজ ফীড’এ প্রকাশ করা হবে। প্রতিবেদন গুলো সংশোধন ও পরিবর্তন যোগ্য। পরবর্তীতে লিটল ম্যাগাজিন আকারে প্রকাশ করা হবে। আল্লাহ যদি আমাকে এতদিন বাঁচিয়ে রাখেন।

প্রথম পর্বে উল্লেখ যোগ্য স্বরণীয়ও বরণীয় ব্যক্তিদের নিয়ে কিছু কথা

১নং – খান বাহাদুর জালাল উদ্দিন আহমদ চৌধুরী (তিনি পূর্ণমন্ত্রী) ২নং- আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন আহমদ (যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী) ৩ নং-মরহুম আলহাজ্ব মাওলানা খতিবে আজম ছিদ্দিক আহমদ (পূর্ব পাকিস্তান নেজামে ইসলামী পার্টির কেন্ত্রীয় সভাপতি ও এমপি), ৪নং অধ্যাপক এনামুল হক মঞ্জু (সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও এমপি), ৫নং এডভোকেট জহিরুল ইসলাম (স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম এমপি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে কক্সবাজার মহকুমার প্রথম গভর্নর নির্বাচিত করেন), ৬নং এইচ এম সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, (তিনি কক্সবাজার জেলার প্রথম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান ও এমপি ছিলেন)।

১৯৩৬ থেকে ২০১৯ বিগত ৮৩ বছরে যারা কক্সবাজার জেলার (চকরিয়া-পেকুয়া) থেকে এম.এল.সি, এম.এল.এ, এমপি,মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, পার্টি প্রধান,গর্ভণর, ও জেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ও মনোনীত হয়েছেন তাদের নিয়ে কিছু কথা।

ব্রিটিশ দালালদের হাতে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অন্তমিত হওয়ার পর বহু বীরের আত্মত্যাগের ফলে সর্বস্তরের জনতার প্রতিবাদে ভীত হয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এক অধ্যদেশ জারির মাধ্যমে এদেশে সাধারণ নির্বাচন প্রথা চালু হয়। অধ্যাদেশটির নাম ছিল ‘ভারত শাসন অধ্যাদেশ ১৯৩৫’। এর পর ১৯৩৬ সালে এ দেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন, সমকালীন আবুল কাশেম ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টির মনোনয়ন নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন খান বাহাদুর জালাল উদ্দিন আহমদ চৌধুরী (এডভোকেট)। ওই পার্টি থেকে মন্ত্রী পরিষদ গঠন করাহলে অবিভক্ত বাংলার স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপান খান বাহাদুর জালাল উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। তার বাড়ি চকরিয়া উপজেলার হারবাং গ্রামে। আমরা তাকে স্বরণ রাখার জন্য শুধুমাত্র একটি রাস্তার নামকরণ করে ইতি টেনেছি।রাস্তাটির নাম হচ্ছে, বাটাখালী ব্রিজ থেকে বদরখালী পর্যন্ত কে.বি জালাল উদ্দিন সড়ক নাম দিয়ে। ওনি ছিলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামের প্রথম মন্ত্রী।

দ্বিতীয় পর্ব আসছে …….

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •