মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্ব রত্নাপালং বড়ুয়াপাড়ায় চাঞ্চল্যকর ফোর মার্ডারে কুয়েত থেকে আসা স্বজনহারা রোকন বড়ুয়া। শুক্রবার ২৭ সেপ্টেম্বর রোকন বড়ুয়া দেশে আসার পর একইদিন রাত্রে তার স্ত্রী মিলা বড়ুয়ার আলমিরা খোলা হয়। সেখানে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকে জমা রাখা ৮৬ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট (এফডি) চেক, ১০ ভরি স্বর্ণ ও কিছু নগদ টাকা পাওয়া যায়।  ঘাতক কে বা কারা হউক না কেন, এই আলমিরা খোলার কোন চেষ্টা করার আলামত সেখানে পাওয়া যায়নি। ৮৬ লক্ষ টাকা জমা থাকার ফিক্সড ডিপোজিট (এফডি) চেক ও ১০ ভরি স্বর্ণ নেয়ার জন্য আলমারি ভাঙ্গার কোন সময় ঘাতক পায়নি কিংবা সেখানে প্রায় কোটি টাকার সম্পদ আছে বলে তারা ধারণা করেনি অথবা সম্পদের লোভে রোকন বড়ুয়ার বাড়িতে ঘাতক যায়নি। এলাকাবাসী এমন ধারণাই করেছেন। ২০০৯ সালে কুয়েত যাওয়া নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান রোকন বড়ুয়া যে, কুয়েতে অত্যন্ত ভাল অবস্থায় ছিলো, সেটা আলমারিতে পাওয়া কোটি টাকার সম্পদে ধারণা করা যাচ্ছে। আলমিরায় ৮৬ লক্ষ টাকা ফিক্সড ডিপোজিট (এফডি) ও ১০ ভরি স্বর্ণ সহ প্রায় কোটি টাকার সম্পদ পাওয়ার বিষয়টি রোকন বড়ুয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্ব রত্নাপালং বড়ুয়াপাড়ায় প্রবাসী রোকন বড়ুয়ার বাড়িতে গত বুধবার দিবাগত রাত্রে কে বা কারা রোকন বড়ুয়ার মা সুখী বালা বড়ুয়া (৬৫), স্ত্রী মিলা বড়ুয়া (২৫), পুত্র রবিন বড়ুয়া (৫) ও ভাইজি সনি বড়ুয়া (৫) কে জবাই করে হত্যা করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •