সংবাদদাতা:
ধর্ষণের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তলপেটে প্রচন্ড ব্যাথা, ভয়- আতংকে দিনাদিপাত করছে নয় বছরের ধর্ষিতা শিশু। চকরিয়ার ডুলাহাজারার উলুবনিয়া গ্রামে গত ২৪ আগস্ট সন্ধ্যা ৭ টায় পার্শ্ববর্তী দোকানে ডাল কিনতে গিয়ে প্রতিবেশি যুবক লম্পঠ সাজ্জাদ হোসেন বাদশার বিকৃত লালসার শিকার হন প্রথম শ্রেণীতে পড়–য়া এই শিশু ছাত্রী। ধর্ষক বাদশা উলুবনিয়া মধ্যপাড়ার সাহাব উদ্দিনের পুত্র। মধ্যযুগীয় লালসার শিকার উলুবনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। বর্তমানে ভয় আতংকে অস্থির ধর্ষিতা স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়-এই ঘটনায় কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা হলেও আলোচিত মামলাটি তুলে নিতে মামলার বাদী ও ধর্ষিতার ফুফি রাবেয়া বেগমকে ধর্ষক ও তার স্বজনরা অব্যাহত হুমকি দিচ্ছে।
এদিকে ২২ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং ২ এ ভিকটিম তার জবানবন্দিতে ধর্ষক, লম্পট যুবক বাদশার বিরুদ্ধে লোমহর্ষক নির্যাতনের বর্ণনা দেয়। এ সময় আদালতেই নির্যাতিত শিশুটি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। এর আগে গত ২৫ আগস্ট ধর্ষিতা শিশুটিকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হয়। অন্যদিকে আক্রান্ত শিশুটির চাচা শাহাদুল করিম অভিযোগ করেন-প্রভাবশালী মহলের চাপে পড়ে চকরিয়া থানা পুলিশ ধর্ষক বাদশার বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি। যার কারণে ভাইজি ধর্ষণের বিচার পেতে আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। আসামি বাদশা পলাতক রয়েছে। বর্তমানে আলোচিত মর্মান্তিক শিশু নির্যাতনের মামলাটির আদালত তদন্তভার দিয়েছে কক্সবাজার পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিশন- পিবিআই কে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •