দুই মামলায় জি কে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

অস্ত্র ও মাদক মামলায় যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই সঙ্গে তার সাত দেহরক্ষীর প্রত্যেককে অস্ত্র মামলায় চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক মাহমুদা আক্তার এ শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড পাওয়া অন্যরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন এবং আমিনুল ইসলাম। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করে দুই মামলায় সাতদিন করে শামীমকে মোট ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম। এ সময় তার সাত দেহরক্ষীও ছিলেন।

তবে শুনানি নিয়ে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার মাদক ও অস্ত্র মামলায় ৫ দিন করে মোট ১০দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আর অস্ত্র মামলায় শামীমের দেহরক্ষী সাতজনের প্রত্যেককে ৪দিন করে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলার শুনানি করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান। তিনি বলেন, দুই মামলার রিমান্ড কার্যকর হবে আলাদাভাবে। অর্থাৎ একটা মামলার রিমান্ড শেষ হওয়ার পর আরেকটি শুরু হবে।

এদিকে জানা যায়, জি কে শামীমের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় হওয়া মানিলন্ডারিং আইনের মামলাটি তদন্ত করবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাই ওই মামলায় তাকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি।

শনিবার বিকেলে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে রাজধানীর গুলশান থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। পরে গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) আব্দুল আহাদ বাংলানিউজকে জানান, গুলশান থানায় জি কে শামীমের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিংয়ে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে মাদক ও অস্ত্র মামলায়।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নিকেতনে ৫ নম্বর সড়কের ১৪৪ নম্বর ভবনে শামীমের কার্যালয় ঘিরে অভিযান চালায় র‌্যাব।

কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিদেশি মুদ্রা, মদ, একটি আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক, নগদ অর্থ, ২০০ কোটি টাকার এফডিআর চেক উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় দেহরক্ষী সাতজনকেও।

অভিযানের পর র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, শামীমের অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে। এখানে তার মায়ের ও তার নামে বিপুল পরিমাণ এফডিআর পাওয়া গেছে। তার অস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগ ছিলো।

সর্বশেষ সংবাদ

বাঁকখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

ছাত্রলীগ নেতার সহযোগিতায় মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের প্রধান আটক

কক্সবাজার সিটি কলেজ ছাত্রলীগ সংগঠক শাহাদাত অপহরণের শিকার !

সাংবাদিক ইমরুলকে দেয়া কউকের লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি

বিমানের চেয়ারম্যান হলেন সাজ্জাদুল হাসান

সরকারি গেজেটে কক্সবাজার ‘ব্যয়বহুল’ শহর

লিগ্যাল এইড আইন দেশের সর্বোত্তম আইন : জেলা জজ হাসান মোঃ ফিরোজ

ঈদগাঁওতে লোকালয় থেকে অজগর সাপ উদ্ধার

চকরিয়া পৌর এলাকায় বসানো হয়েছে ১০০টি সিসি ক্যামেরা

‘টেকনাফে চিহ্নিত মাদককারবারির গায়ে পুলিশের পোশাক’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানের সচিব পদে পদোন্নতি

গর্ভবতী গাভীর মাংস বিক্রির দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

মাওলানা আজহারীর কাছে মুসলমান হওয়া ১১ জনকে ভারতে ফেরত

জেলা জাসদের কাউন্সিল: সভাপতি টুটুল সম্পাদক এড. কালাম

চকরিয়া পৌরসভায় ভাসমান দোকান উচ্ছেদ

ঝরেপড়া থকে সুবিধা পাচ্ছে কক্সবাজারের ৪৯৫৭ জন শিক্ষার্থী

সিনিয়র সচিব হলেন কক্সবাজারের হেলালুদ্দীন আহমদ

চট্টগ্রামের নতুন বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ

ফ্রান্সে সাগর বড়ুয়ার একক সংগীতানুষ্ঠান

অবহেলায় যাতে একটি সম্ভাবনা ঝরে না পড়ে -ইউএনও জামিরুল ইসলাম