cbn  

আতিকুর রহমান মানিক

রামুর খুনিয়াপালংয়ে পানির ট্যাংকে বিষ মিশিয়ে এক পরিবারের সবাইকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভূক্তভোগী পরিবারের দাবী, বিষ মেশানো পানি খেয়ে ৫ জন কোন রকমে প্রাণে বেঁচে গেলেও মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েছে সবাই। ১৮ সেপ্টেম্বর ( বুধবার) সকালে ইউনিয়নের পেঁচারদ্বীপ এলাকার মাঙ্গালাপাড়ায় এঘটনা ঘটে। বিষক্রিয়ায় অসুস্থ মোঃ হাসান, মোঃ জালাল ও মোহাম্মদ আলম পেঁচারদ্বীপ এলাকার নুরুল আলমের ছেলে। নুর আলমের স্ত্রী ইসলাম খাতুন ও পুত্রবধু সামিনা ইয়াছমিনও এসময় বিষক্রিয়ার আক্রান্ত হয়েছে । এরা সবাই বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

গৃহকর্তা নুরুল আলম জানান, বুধবার সকালে বাড়িতে ভাত খাওয়ার পর একে একে পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। পেটের পীড়া, মাথা ব্যাথা, চোখের ঝাপসা দেখা ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেওয়ার কিছুক্ষণ পর সবাই অজ্ঞান হয়ে যায়। এরপর এদের সবাইকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর পরীক্ষা নীরিক্ষা করে ফুড পয়েজনিংয়ে আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারটি ধরা পড়ে। তখন থেকে চিকিৎসাধীন থাকার প্রায় ৩২ ঘন্টা পর জ্ঞান ফেরে তাদের। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী জানান, পানিতে বিষ ছিল কিনা তা কেমিক্যাল টেষ্টে বুঝা যাবে। তবে অসুস্থ ৫ জন আপাতত আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে কর্তব্যরত ডাক্তার।
আক্রান্ত গৃহকত্রী ইসলাম খাতুন জানান, তার স্বামী নুরুল আলম কর্মোপলক্ষে ভোরে বের হয়ে যাওয়ায় বেঁচে যান তিনি। গৃহবধু সামিনা জানান, বাড়ীর বাইরে স্থাপিত ট্যাঙ্ক থেকে রান্না বান্না ও খাওয়ার পানি ব্যবহার করা হয়। উপরোক্ত ঘটনার নেপথ্যে পানির ট্যাঙ্কে বিষ মিশানোর বিষয়টি ধরা পড়ে। আক্রান্তরা অভিযোগ করেন, পার্শ্ববর্তী জালিয়াপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাইছড়ির মোঃ হাসেম ও তার মেয়ে বুলবুল আক্তার পূর্ব বিরোধের জের ধরে গোপনে পানির ট্যাঙ্কে বিষ মিশিয়ে দিয়েছে। তবে ট্যাঙ্কে পানির পরিমান বেশি থাকায় বিষক্রিয়া মারাত্নক হয়নি বলে জানান তারা। খুনিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ উপরোক্ত ঘটনার ব্যাপারে অবগত আছেন বলে জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •