মোঃ ফারুক, পেকুয়াঃ

পেকুয়ায় জেসমিন আক্তার নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের পূর্ব জালিয়াকাটা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) কাজী আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ লাশটি উদ্ধার করেন।

নিহত গৃহবধূ উখিয়া উপজেলার হরিণমারা এলাকায় মোঃ কালুর স্ত্রী। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ছয় মাস আগে নিহত গৃহবধূ মেয়ে রুমা আক্তারের সাথে একই উপজেলার মরিচ্যা পালং এলাকার রবি আলমের ছেলে জাহাঙ্গীরের বিয়ে হয়। এ সূত্রে জাহাঙ্গীরের বাবা রবি আলমের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে রুমা আক্তারের মা জেসমিন আক্তারের। তিন মাসের মধ্যে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। নিজেদের সংসারে গড়তে তারা পালিয়ে পেকুয়ায় আসে। পেকুয়া এসে তারা একটি ভাড়া বাসায় ওঠে। ভাড়া বাসায় বসবাসের ১৭ দিনের মাথায় গৃহবধূর মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

এসআই আব্দুল মালেক বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে নিহত গৃহবধূর কথিত স্বামী সম্পর্কে তার বেয়াই। স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে তারা পেকুয়ায় বসবাস করছিল। কথিত স্বামী রবি আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। রবি আলমের আদি নিবাস পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের বামুলা পাড়া হলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা পালং এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। সেখানে তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গৃহবধূর মরদেহটি উদ্ধার করে। কিন্তু এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •