cbn  

সংবাদদাতা;
লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হায়দারনাশী উচ্চ বিদ্যালয়ের নব নিয়োগ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তাঁকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা করছে একটি কুচক্রী মহল। শিক্ষার মানহীন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় পিছিয়ে পড়েছিল লামার হায়দারনাশী উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য। উক্ত প্রতিষ্ঠানের পাশের হারের ব্যর্থতায় স্থানীয় শিক্ষার্থীরা দূরের প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করে আসছিল কয়েক বছর যাবৎ। তারই প্রেক্ষিতে হায়দারনাশী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেন। নব নিয়োগ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উক্ত প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার মান দিন দিন বৃদ্ধি করেন এবং ঐ এলাকায় ব্যাপক সাড়া পেলে। প্রতিষ্ঠানের এমন সুনামে ঈর্ষাণিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল পূর্ব থেকে নানাবিধ ষড়যন্ত্র করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

হায়দারনাশী উচ্চ বিদ্যালয়ে বিগত দু’বছর পূর্বে মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং ৪ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন বরাদ্ধ দিয়েছিলেন। কিন্তু স্কুলের উত্তর পূর্ব পার্শ্বের জায়গা স্থানীয় সাহাব উদ্দীন জোর জবর দখল করে রাখায় ভবনটি নির্মাণ করতে পারেনি। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যানেজিং কমিটির প্রতিনিধিগণ, অভিভাবক সদস্য ও অত্র এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্কুলের জায়গা পরিমাপ করতে গেলে সাহাব উদ্দীন ও তার স্ত্রী অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ইট পাটকেল মারতে থাকে। তাদের ছুড়া ইট পাটকেলে স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক জনাব মেশকাতুল করিমের পায়ে প্রচন্ড আঘাত লাগে। আঘাত পেয়ে মেশকাতুল করিম চিৎকারে মাঁটিতে লুটিয়ে পড়ে। শিক্ষকের চিৎকার শুনে ছাত্র-ছাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে এক পর্যায়ে স্কুলের জায়গা দখলকারী সাহাব উদ্দীনের বাউন্ডারির সামান্য অংশ ভেঙে পেলে। অফিস থেকে বের হয়ে প্রধান শিক্ষক উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের শান্ত করার নির্দেশ দেন। সে সুযোগে ঐ কুচক্রী মহল প্রধান শিক্ষক কে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এবং স্কুলের ভবন নির্মাণে বাঁধা প্রয়োগ কে পাকাপোক্ত করতে সম্মানিত মিডিয়া কর্মীকে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রেরণ করেন। যা গত ১৫ তারিখের অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়। কুচক্রী মহলের এই মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রেরণের প্রতিবাদ জানিয়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানান এলাকার সচেতন মহল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •