ভালবাসার মানুষের প্রত্যেক অর্জনই ‘সুখের’!

আলমগীর মাহমুদ

১৯৮৩ সালে কক্সবাজার কলেজের আঙ্গিনায় পা রাখি। আইএ প্রথম বর্ষে। ফাষ্ট ইয়ার ডেম কেয়ার ভাব না আসতেই পড়ি মহাবিপদে। নিস্তারে ছিলাম ভাবনায়।

উপায় খোঁজেও বুদ্ধির কৌশলে মার খাচ্ছি। না করতে চাওয়া কাজই করতে হচ্ছে। বাধ্য হচ্ছি। হুমকি, প্রেসার ভয়ভীতিতেও নয়।

” অচিন মানুষের ভালবাসার হাসির নিবেদনে,কথার উপস্থাপনায়।

বড় দেহওয়ালা,মাথায় চুলের পরিমান কম, মুখে একগাল হাসি,সম্মোহনী শক্তি সম্পন্ন। ছাত্রলীগের এক ছাত্রনেতা যার সামনে পড়লে ওর হয়েই কৌশলী কায়দায় কখনযে না যাইতে চাওয়া মিছিলে গর গর হেঁটে চলতাম নিজেই বুঝতাম না।

কলেজে উনার নজরে পড়াই ছিল আমার মহাবিপদ। প্রথম মিছিলেই পরিচয় জেনে নি। নাম ফরিদ। কলেজ ছাত্রলীগ নেতা। ভাবলাম আজ থেকে প্রথম এবং প্রধান কাজ এই লোকের আড়ালে থাকা। নইলে পড়ালেখা শেষ। এইবার শেষবার।

দ্বিতীয়বার তৃতীয়বার যতবারই উনারে ফাঁকি দেয়া সম্ভব হয়নি বলে মিছিলে গেছি, প্রত্যেকবারই নিজেরে বলেছি এইবারই শেষবার। উনার সামনে শেষবারই প্রথমবার হয়ে রইতো।

উনার মিছিলে নেয়ার কৌশল আর উপস্থাপনা ছিল দরদের আঁটায় আইকা গামের মতো।

”জড়িয়ে ধরে চাটগাঁইয়া দরদে কইত “তোঁয়ারা আঁর ভাইদেই আঁই এরশাদর মার্শাল..ল এর ভেতর জীবন রিস্ক লইয়িদে,। আঁরে তোরা দৌলইত্যার মত গুলির আগাত ন লই যাইসছেনা। অ..ভাই।’১

আয় মিছিলে যাই বলে সবাইরে দুইহাতের বেড়ির রশির মতো আটকিয়ে মিছিলে নিয়ে চলতো । তখন মিছিল মিটিং ছিল নিষিদ্ধ।

আমরা মিছিলে যেতাম কোনদিকে ছুঁটতে না পেরে। ভয় হত। কখন আবার বন্দী হয়ে যাই। যারা মিছিলে যেত তাদেরও যে গোপন লিষ্ট হতো তখন।

আমার মহাবিপদ। সেদিনের সে ছাত্রনেতা ফরিদই আজকের এডভোকেট ফরিদ। আমাদের “লীডার” ডাকটা ছাড়া। পার্টি করে সভা সেমিনারে বিরানীর প্যাকেট,কোক,আর পানির বোতল, বিনে কোন অর্জনই পেতে দেখিনি যাকে। তিনিই আমাদের মজলুম জননেতা এডভোকেট ফরিদ।

উনাকে পিপি করা সরকারের সঠিক সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত শ্রদ্ধার। এই সিদ্ধান্ত প্রজ্ঞার। এই সিদ্ধান্ত “এই প্রজন্মের কাছে আমাদের লীডার ডাকটির এক্সটেনশন। নইলে প্রজন্মরে জানানো সম্ভবই হতো না, ফরিদ ভাই ক্ষমতাসীন দলের আত্নীয় ছিল।
এই সিদ্ধান্ত ত্যাগী নেতাদের স্বপ্নের ঘরে আলো।

” আবারও আপনার (ফরিদ ভাই) নুতন কিছু প্রাপ্তিতে কেউ আবেগী হয়ে কলম চালনার গর্বের স্থানটা যেন কলংকিত না হয়”…সে প্রত্যাশাই রইল মোর।

অভিনন্দন…. অভিনন্দন… অভিনন্দন।

পাদটীকা :
১/তোরা আমার ভাই তাই আমি এরশাদের মার্শাল ল এর ভেতর জীবন রিক্স নিয়েছি। তোরা আমারে শহীদ দৌলতের মত গুলিতে মুখে নিতে দিস না।
২/চকরিয়া এরশাদ হটাও আন্দোলনে শহীদ দৌলত।

লেখকঃ–বিভাগীয় প্রধান। সমাজবিজ্ঞান বিভাগ। উখিয়া কলেজ, কক্সবাজার।
[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ

বিএসএফের বাংলাদেশে অবৈধ প্রবেশের ছবি প্রকাশ

উখিয়া-টেকনাফে পানির স্তর নীচে নেমে গেছে : সাবের হোসেন চৌধুরী

হাইব্রিড ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় যুবলীগ নেতা আবছারের বিরুদ্ধে মামলা

সাংবাদিক পরিচয়ে ইলিশ শিকার করতে গিয়ে আটক -১০

‘যুবলীগের দায়িত্ব পেলে ভিসির পদ ছেড়ে দেব’

মরহুম ইসহাক মিয়া গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২৪ অক্টোবর শুরু

আধুনগর পালপাড়া মন্দির সড়কে কালভার্ট নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

প্রেমিকা রূপসাকে ‘বউ’ বানালো রাশেল

বর্ণাঢ্য উৎসবে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন করলো জেলা যুবলীগ

বিজিবিতে চাকরি এইচএসসি পাসে

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে : পরিবেশ মন্ত্রী

চকরিয়ায় ইমাম হোসাইন (রা:) সুন্নিয়া মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন

কক্সবাজারের সাংবাদিকদের জন্য সেভ দ্য চিলড্রেনের ‘মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’

‘ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ছিলেন একজন গুনি ও জাতীয় মাপের শিল্পী’

আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা শূণ্যের কোটায়

এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত

লোহাগাড়া থানার বিশেষ অভিযানে আটক ৬

কক্সবাজার শহরের শীর্ষ ছিনতাইকারী আরিফ ডিবি পুলিশের হাতে আটক

কক্সবাজারে সংসদীয় কমিটির সভায় তথ্য প্রকাশ : দু’বছরে বন পরিবেশের ক্ষতি ৪ হাজার ২ শ’ ২০ কোটি

কক্সবাজার অনলাইন প্রেস ক্লাবের সম্মেলন জানুয়ারিতে, সদস্য অন্তর্ভুক্তি চলছে