মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার সফররত যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বাস্তু ও মানবিক বিষয়াদি সংক্রান্ত প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করে বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল বলেন-ন্যূনতম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা শরনার্থীদের থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা, পয়ঃপ্রণালী, স্যানিটেশন, বিদ্যুৎ সরবরাহ সহ সার্বিক বিষয়াদি নিয়ে যেভাবে গুছিয়ে সেবা দিচ্ছেন, তা শরনার্থী আশ্রয় দেওয়া বিশ্বের অন্যান্য দেশ সমুহে জন্য একটা অনুকরণীয় মডেল। অথচ বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল খুবই ঘনবসতিপূর্ণ রাষ্ট্র। তারপরও বাংলাদেশ সরকার ও এখানকার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আন্তরিকতা আছে বলেই মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরনার্থীকে বাংলাদেশে জায়গা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। যদিও এ বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশের জন্য একটি বোঝার মতোই। রোববার ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার এর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বাস্তু ও মানবিক বিষয়াদি সংক্রান্ত প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন ও শরনার্থীদের দেয়া বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেখে তাঁরা এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার গত শুক্রবার এবং প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা রোববার সকালে বিমানযোগে কক্সবাজারে আসেন। তাঁরা আরআরআরসি মোঃ মাহবুব আলম তালুকদার ও জেলা প্রশাসনের সাথেও সার্বিক রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার পর আর্ল রবার্ট মিলার চলতি বছরের ৯ মার্চও তিনি কক্সবাজার সফর করে রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে বৈঠক করেছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •