মীর আফসারের আত্মহত্যা চেষ্টা ও আমার মিল-অমিল

তানভীরুল মিরাজ রিপন

মীর আফসার আলী। মিরাক্কেল মীর নামে যিনি খুব পরিচিত। কোলকাতার জনপৃয় দৈনিক “ সংবাদ প্রতিদিন ”কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। মীর একবার নয়,চার চারটে বার আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছেন। ৮৬ টা স্লিপিং পিল নিয়েও তিনি অবশ্য মারা যাননি।

কিন্তু মীরও আত্মহত্যা চেষ্টা করলো?

গত দু’দিন আগে পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলিং ও মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক আত্মহত্যা করেছেন৷ অথচ তাকেই দ্বায়িত্ব দিয়েছিলো শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবনতা কমিয়ে আনার। প্রফেসর গ্রেগরি ইয়েলস’র আত্মহত্যার কারন হিসেবে দেখানো হয়েছে, কাজের অতিরিক্ত চাপ, পরিবার সামলাতে না পারা । অথচ তাকেই দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ২০১৩ সালে ১৪ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা চেষ্টার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে, মানসিক সংকট মোকাবিলা করতে কি করনীয় সেটি শেখানোর।

কিন্তু তিনিও আত্মহত্যা করলেন ? কেনো ?

কি নেই ? মীরের। নাম,দাম,গাড়ি,বাড়ি, সুখ। সব তো আছেই । বরং মানুষ চায় মীরের মতো একটা জীবন,টিভি স্ক্রীনে দেখা যাবে,রেডিওতে সবচে দরাজগলার খুব পরিচিত একটি কন্ঠ, মীরাক্কেল শো এনকোর, অভিনয়, মান সম্মান। মানুষ বরং ঈশ্বরের প্রতি অভিযোগ তুলে, মান অভিমান করে বলেন কেনো মীরের মতো জীবন, গুণ তাকে দেওয়া হলো না ৷
স্ক্রিন, ফেইম মানুষকে দিনের পর দিন একা করে ফেলে। সমাজে ফেইমওয়ালা মানুষগুলোর সংখ্যা নেহাতই কম। হাতে গুনতে পারা যাবে। কিন্তু তাদের যেভাবে আনন্দ ভরপুর দেখেন, তেমন আসলেই ঠিক ততটা একাকিত্ব তার ভেতরে ভরপুর৷ মানুষকে বলতে পারা যায় না সংকটে আছে,বলতে পারা যায় না তারও সীমাবদ্ধতা আছে, চিৎকার করে কাঁদতে পারে না। আশেপাশেই পরামর্শ চাওয়ার মতো কেউ থাকে না৷ সবাই জাস্ট এডভান্টেজ নেওয়ার জন্যই থাকে ।


স্ক্রিন আর অতি প্রশংসা আমাকে যেভাবে একা করেছে,
মানসিকভাবে আমিও ছ’মাস ধরে অসুস্থ। আমার সবচে ভালো মুহুর্তটা আমি খোজেছি,মায়ের সাথে কাঁটানো সবচে ভালো সময়গুলো,সবথেকে বৃষ্টি মুখর দিনগুলো, সুন্দর গোধূলি গুলোকে খোজতাম,কিন্তু কোথাও মিল খোজে পেতাম না। আমি আমার শৈশব আর গ্রামে কাঁটানো মুহুর্তগুলো এবং সেসব সময়কে খুব স্মরণ করতে চাই,মিলাতে চাই।কিন্তু সেসব আর নেই। সেগুলো কেনো জানি হারিয়ে গিয়েছে। কেনো হারালো তাও জানি না।

আমি কে? সে প্রশ্নের উত্তরটা অবশ্যই আপনাদের জানানো উচিত।

আমি বিতর্ক,আবৃত্তিতে জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত একজন ব্যক্তি। যার প্রশংসা দেশের মন্ত্রী, বুদ্ধিজীবী গোছের প্রায় মানুষই করেছেন। দু-চার লাইনের মন্তব্য লিখে জানিয়েছেন আমি কে,কি হবো,তাঁর প্রত্যাশা কি আমাকে নিয়ে। আসুন অন্যকথা বলি , ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থী আমি। পড়াশুনোয় খুব ভালো ছিলাম এসএসসি পর্যন্ত। এইচএসসিতে আমি শুধু প্রতিযোগিতা করে বেড়িয়েছি, নাম কামিয়েছি। এক প্রতিযোগিতায় আমি প্রথম হওয়ার পর পরই আমার হাতে একটা কন্ট্রাক্ট পেপার আসে। অফারটা মাইটিভি থেকে।ইন্টার প্রথম বর্ষে পড়ুয়া শিক্ষার্থীর কাছে এটি আকাশের সত্যিকার চাদ হাতে পাওয়ার মতোই। নিয়মিত কাগজে, পোর্টালে লেখা বেরোচ্ছে।উপস্থাপনা করে রাত দেড়টার আগেও বাড়ি ফেরা হচ্ছে না। ব্যস্ততা আমার বেড়েছে। টেলিভিশন, রেডিও,উপস্থাপনার ফাঁকে ফাঁকে আমার ক্লাস করা হচ্ছে। কোচিং,প্রাইভেটে দেওয়ার সময় আমার সময় আমার মোটেও হচ্ছে না। আমি হয়ে এলাম অনিয়মিত। না আমার ভেতরে কখনো ফেইম পাওয়ার ধারনা আসেনি। আমি চেয়েছি কাজের মধ্যেই আমি টিকে থাকি। কাজের মাধ্যমে’ই সকলে জানুক । প্রশংসা পাচ্ছি, লোকজন আমাকে নিয়ে আলোচনা করছে। আমি যেটি চেয়েছি, সেটি ঘটছে। তবে,আমি দিনপরপর সরে যাচ্ছি বন্ধুদের আড্ডা থেকে।বন্ধু হওয়ার ও বন্ধু বানানোর মতো কেউ পাচ্ছি না। একা হয়ে এলাম।বন্ধুদের আড্ডায় আর আমাকে ডাকা হয় না। তাদের কোনো ট্যুরে আমাকে নেওয়া হচ্ছে না। কারন তাদের ডাকে আমাকে পেতো না। শেষ শুধু একবার সিফাত,মামুন,মারুফ,আরিফ,চৈতীদের সাথে হিমছড়ি পাহাড়ে ঘুরতে এবং সালসা বীচে লাঞ্চে পেয়েছিলো। আজও খবর তারা নেওয়ার চেষ্টা করে৷ তাদের সাথে আমার সখ্য একটি কাজের কারনে, আমরা একটি সামাজিক সংগঠন করি।যে সংগঠনের কাজ শুধু বই পড়তে আগ্রহী করা, আর স্কুল লাইব্রেরি গুলো পরিষ্কার করে দেওয়া।

এইচ এস সি পরীক্ষায় আমি কিভাবে পরীক্ষা দিয়েছি সে বিষয়টি নিয়ে অনেক গুলো হাস্যকর গল্প লেখা যাবে। সে বিষয়টি আজকে লেখবার প্রয়োজনীয়তা আমি দেখতে পাচ্ছি না বলে ছেড়ে দিলাম। তবে খালেদ স্যার না হলে আমি এইচএসসি পাশ করাটা কঠিন হয়ে যেতো। তিনি আমার হোমটিউটর ছিলেন।
প্রায় কয়েকমাস কাজ ছেড়ে দিয়ে একা থাকতে চেয়েছিলাম । চট্টগ্রামে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি ভর্তি হওয়ার পর নিজেকে অন্যভাবে গোছাতে লাগলাম৷একা থাকার চেষ্টাটা আমে করেছি। কিন্ত আমি আমার সাক্ষাৎকার নেওয়ার নেশাটা ছাড়তে পারিনি। আমি এখন একা। বন্ধুহীন। নিজেই নিজের পরামর্শক,নিজের বন্ধু। তবে,আমি বিষাদগ্রস্ত, অসুস্থ মানসিকতার মধ্যে যাচ্ছি। কঠিন সময়। আমার ভেতর অস্তিরতা,আমার ভেতরে শুধু বিশ্রী প্রতিযোগিতা চলছে। আমার নাম দাড়াবে,দাড়াতেই হবে, আমার অল্টারনেট কেউ নেই,থাকবে না। থাকার কথাও না৷ কুড়ি বাইশ বছরের এক ছেলেমানুষকে বর্তমান বিশ্বের সবথেকে বড় রাজনীতি বিশ্লেষক নোম চমস্কি পর পর দুবার সাক্ষাৎকার দেন ইমেইলে। নোম চমস্কি এতো সস্তা বিষয় না। বাংলাদেশে যতদূর জানি উনার লেখাকড়ির অনুবাদ হয়েছে বেশ। সান্নিধ্য খুব কম পেয়েছে।


২০০ এর ওপরে সনদ আমার আছে। সবকটা প্রতিযোগিতায় পাওয়া৷ ২০১৮ এর দিকে চট্টগ্রামের অদিক জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল সিভয়েসের আমি সাক্ষাৎকার, টকশো উপস্থাপক হিসেবে কাজ পেয়ে যাই৷স্ক্রীনে দেখছে আমাকে। দর্শক হাতে গুনবার মতো না,অনেকে। পুরোদমে কাজ করেছি। মনে হচ্ছিলো আমি সফল,এরপরও দিন দিন আমি মানসিকভাবে অসুস্থ হচ্ছি। আনিসুজ্জামান, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ,সলিমুল্লাহ খান,আনু মুহাম্মদ, জাফর ইকবাল,অনুপম,সাহানা,সৌমিত্রর, জয়া আহসানের মতো ১৪০ এরও বেশি লেজেন্ডারি লোকজনের সাথে আমার সখ্য সম্পর্ক, যোগাযোগ হচ্ছে,সান্নিধ্যও পাচ্ছি । মানে আমি কাজ গুলো করছি যত তত মানুষ আমাকে সম্মান করছে। সবচে স্পেশাল মনে হতো নিজের কাছে নিজেকে,ফেইসবুক বাংলাদেশে যে অনুষ্ঠান করেছিলো সেটির ইয়ং ডেলিগেটস হয়ে ছিলাম,স্পীচ দেওয়ার জন্য হাইয়ার করেও নিয়ে গেলো৷ নামী মানুষগুলোর বিভিন্ন পার্টিতে আমি যেতে পারছি,অনেক জায়গায় প্রবেশ করতে পারছি,যেগুলোতে আমার সমবয়সীরা পারছে না। নিজেকে খুব আলাদা মনে হয়েছে, যেটি এখনো মনেহয়।তবে, ততোদিনে আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে যাই। কাজ ছেড়ে দিই। সব কাজ বন্ধ রাখি। আমি চেয়েছিলাম একা থাকতে। সুস্থ হয়ে ওঠার সময় নিচ্ছি।এসময়ে আমি দুইটা টিভি চ্যানেল অফার,একটি এইচডি রেডিও চ্যানেল,একটি প্রিন্ট খবরের কাগজের সাথে চুক্তি করার সুযোগ পেয়েছি৷ চেয়েছিলাম টিভি আর কাগজ বাদ দিয়ে রেডিওর সাথে আমি চুক্তিটা ছয়মাস চালিয়ে নিবো। কিন্তু তাও আমি এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতিই নিতে পারিনি । অদ্ভুত এক মানুষে পরিণত হচ্ছি দিনদিন । কাজ থেকে দূরে সরে দাড়ালাম। কাজ থেকে দূরে থাকার পরেও আমার মনে হতে লাগলো আমি ভেল্যুলেস। আমাকে কেউ পাত্তা দেয় না। বন্ধুরা মজা করে যদি কিছু বলে তা নিয়েও আমি সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছি। আমার সব থেকে কাছের বন্ধু, যে সবকিছুর সঙ্গী,তারও যে ব্যক্তিগত জীবন আছে, থাকে সেটি আমি ভাবতে পারতাম না। মনেহতো সে আমার কথাগুলো শুনবে,এগুলোর জন্য তার সময় রাখতে হবে।বিষয়টা অসুস্থতার। স্ক্রিনের কাজ ছেড়ে আমি গবেষণার কাজে মনোযোগ দিই,ইসরায়েল এন্ড মিডলইস্ট বিষয়ে আমি একটা ফেলোশিপও পেয়ে যাই। দেশের বাইরে থেকে ডাক আসে পড়তে যাওয়ার। অক্সফোর্ড থেকেও সামার স্কুল প্রোগ্রামে পড়ার অফার পেয়ে যাই৷ যেখানে আমি আবেদন করেছি আবেদন খুব একটা রিজেক্ট হইনি।কারন আমি প্রতিটি কাজই এই ইনটেনশন নিয়ে কাজ করেছি। এগুলো আমার সিভিতে এড করার জন্যই৷ কিন্তু শেষমেশ মানসিক অসুস্থতার জন্য সবকিছু থেকে থামিয়ে দিয়েছি। সব রিজেক্ট করে নিজেকে সময় দিচ্ছি। আমি আগে বেঁচে থাকি, বাঁচার চেষ্টা করছি৷

বন্ধু যে রোগটি ছ’মাস আগে আমার ভেতর দেখেছে। আমি ছ’মাস পর তা চিহ্নিত করে মানসিক চিকিৎসকের আশ্রয় ও পরামর্শ নিচ্ছি। কাউন্সিলিং এবং ওষুধ-পত্র আমাকে আবার স্বাভাবিকতায় নিয়ে আসতে চেষ্টা করছে,আমিও করছি৷ এসব বিষয় প্রস্তুতি আমি একজনের জন্য নিতে পেরেছি আমার বন্ধু রিয়াদের জন্যই। যে ছ’মাস আমার অমানুষিক অস্থিরতাকে সহ্য করেছে। এমন একজন বন্ধু আপনি তৈরী করুন, আপনার সবটুকু সততা দিয়েই, যে আপনাকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস ও ভালোবাসবে সৎ ভাবে,তার কারনও হবেন আপনি। স্ক্রিন/পর্দা আর ফেইম মানুষকে একা করে ফেলে।খুব নিঃসঙ্গ করে রাখে। আমি মনে করি,একজন সাইকিয়াট্রির পরামর্শ সবারই দরকার, সুস্থ মানুষের জন্যও। আর একজন রিয়াদও ৷

অপ্রাসঙ্গিক প্রসঙ্গ, নুই ইয়র্কের সুবর্বন মেরিল্যান্ডে ফ্রাঙ্ক ওয়ারেন নামে এক ভদ্রলোক তার বাড়ির সামনে একটি পোস্ট বক্স রেখেছেন এর উদ্দেশ্য ছিলো একটু ভিন্ন।বক্সের ওপরে তিনি লিখে দিয়েছেন ‘ এই বক্সে যে কেউ তাঁর মনের কথা লিখে জানাতে পারেন ‘ তা থেকে তিনি সপ্তাহে ৩০টি চিঠি তাঁট মন্তব্যসহ তাঁর ব্লগে প্রকাশ করবেন৷ আশ্চর্যবিষয় হলো তিনি বছর না ঘুরতে তিন লক্ষ চিঠি পেয়েছেন। দেখুন কত মানুষ আছে,শুধু নিজের কথা গুলো শুনাতে চায়।

ঐতো আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ একটি কথা আমাকে প্রায় বলেন, মানুষ সবসময় নিজেকে উপস্থাপন করতে চায়। এটি মানুষের অন্যতম সামাজিক বৈশিষ্ট্য।

We are Better For Friendship;We Become Gaish For Soulmates.

লেখক: তানভিরুল মিরাজ রিপন

সর্বশেষ সংবাদ

বিএসএফের বাংলাদেশে অবৈধ প্রবেশের ছবি প্রকাশ

উখিয়া-টেকনাফে পানির স্তর নীচে নেমে গেছে : সাবের হোসেন চৌধুরী

হাইব্রিড ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় যুবলীগ নেতা আবছারের বিরুদ্ধে মামলা

সাংবাদিক পরিচয়ে ইলিশ শিকার করতে গিয়ে আটক -১০

‘যুবলীগের দায়িত্ব পেলে ভিসির পদ ছেড়ে দেব’

মরহুম ইসহাক মিয়া গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২৪ অক্টোবর শুরু

আধুনগর পালপাড়া মন্দির সড়কে কালভার্ট নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

প্রেমিকা রূপসাকে ‘বউ’ বানালো রাশেল

বর্ণাঢ্য উৎসবে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন করলো জেলা যুবলীগ

বিজিবিতে চাকরি এইচএসসি পাসে

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে : পরিবেশ মন্ত্রী

চকরিয়ায় ইমাম হোসাইন (রা:) সুন্নিয়া মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন

কক্সবাজারের সাংবাদিকদের জন্য সেভ দ্য চিলড্রেনের ‘মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’

‘ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ছিলেন একজন গুনি ও জাতীয় মাপের শিল্পী’

আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা শূণ্যের কোটায়

এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত

লোহাগাড়া থানার বিশেষ অভিযানে আটক ৬

কক্সবাজার শহরের শীর্ষ ছিনতাইকারী আরিফ ডিবি পুলিশের হাতে আটক

কক্সবাজারে সংসদীয় কমিটির সভায় তথ্য প্রকাশ : দু’বছরে বন পরিবেশের ক্ষতি ৪ হাজার ২ শ’ ২০ কোটি

কক্সবাজার অনলাইন প্রেস ক্লাবের সম্মেলন জানুয়ারিতে, সদস্য অন্তর্ভুক্তি চলছে