মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

শনিবার বেলা সোয়া ১২ টার দিকে পটিয়া বাইপাস সড়কে সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাসের দুর্ঘটনায় গুরতর আহত এই লোকটির কোন পরিচয় মিলছেনা। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টা পর্যন্ত তার কোন আত্মীয়স্বজনও পাওয়া যায়নি। আহত ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনার পর থেকে অজ্ঞান থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি কক্সবাজার সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের পালাকাটা গ্রামের বাসিন্দা ও চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মাদক শাখায় চাকুরীরত এসআই নুরুল আলম নাহিদ সিবিএন-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্ব-চিকিৎসার দেখার পর তিনি জানিয়েছেন, আহত অজ্ঞাত লোকটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫ম তলায় ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে নিউরো সার্জারী বিভাগে চিকিৎসাধীন আছে। চিকিৎসকেরা তাকে বলেছেন, আহত ব্যক্তি মাঝে মাঝে চমকে ওঠলেও কোন কথা বলতে পারেনা। এসআই নুরুল আলম নাহিদের ধারণা, আহত অজ্ঞান লোকটি কক্সবাজার বা দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাসিন্দা হতে পারে। অজ্ঞাত লোকটির অবস্থা খুবই আশংকাজনক বলে চিকিৎসকদের উদ্বৃতি দিয়ে এসআই নুরুল আলম নাহিদ সিবিএন-কে জানিয়েছেন। গুরুতর আহত অজ্ঞাত লোকটি ব্যপারে তার আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব জানতে ও চিনতে পারলে এসআই নুরুল আলম নাহিদের সাথে প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন। এসআই নুরুল আলম নাহিদের মোবাইল নম্বর ০১৬৩৭৬০৯৬০৫। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচার করার জন্য তিনি সকলকে অনুরোধ করেছেন।
প্রসঙ্গত, কক্সবাজার থেকে ছেড়ে যাওয়া সৌদিয়া পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস (চট্ট মেট্টো ব-১১-০২৩৪) পটিয়া বাইপাস সড়কে উল্টে গিয়ে একজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে শনিবার ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়া সৌদিয়া পরিবহনের বাসটি বেলা সোয়া ১২ টার দিকে পটিয়া বাইপাস সড়কে পৌঁছালে হঠাৎ একজন পাগল দৌড়ে সড়কের মাঝে চলে আসে। এ পাগলটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে পড়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়। নিহত ব্যাক্তির নাম শামসুল হক (৫৪)। তার বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলায়। তিনি চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ লাকী প্লাজার একজন ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।
পটিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর বিমল কান্তি সিবিএন-কে জানান, দুর্ঘটনায় পতিত বাসটি ফায়ার সার্ভিসের লোকজন দিয়ে উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশ ফাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •