মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

শনিবার ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে পটিয়া বাইপাস সড়কে দুর্ঘটনায় পতিত হওয়া সৌদিয়া বাসের যাত্রী আয়েশা বেগম তার স্বজনদের খোঁজ করছে। আহত মহিলার বাড়ি কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব পোকখালী গ্রামে। মহিলাটির পিতার নাম জামাল হোসেন সওদাগর, ছোট ভাইয়ের নাম রেজাউল করিম। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫ম তলায় ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের নিউরো সার্জারী বিভাগে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মহিলাটি তার আত্মীয়স্বজনদের খোঁজছে। বিষয়টি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাহ’র পালাকাটা এলাকার সন্তান, চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মাদক বিভাগ শাখায় কর্মরত পুলিশের এসআই নুরুল আলম নাহিদ সিবিএন-কে জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, আহত রোগী আয়েশা বেগমের মাথায় প্রচন্ড আঘাত পেয়ে ব্রেন থেকে রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা ধারণা করছেন। এজন্য আহত আয়েশা বেগমকে রক্ত দিতে হচ্ছে। এসআই নুরুল আলম নাহিদ সিবিএন-কে আরো বলেন-তিনি আয়েশা বেগমের রক্তের ব্যবস্থা করছেন। এবিষয়ে সম্ভব যে কোন ধরনের সহযোগিতা করবেন বলে সিবিএন-কে জানিয়েছেন এসআই নুরুল আলম নাহিদ। তাঁর মোবাইল নম্বর ০১৬৩৭৬০৯৬০৫।
প্রসঙ্গত, কক্সবাজার থেকে ছেড়ে যাওয়া সৌদিয়া পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস (চট্ট মেট্টো ব-১১-০২৩৪) পটিয়া বাইপাস সড়কে উল্টে গিয়ে একজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে শনিবার ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়া সৌদিয়া পরিবহনের বাসটি বেলা সোয়া ১২ টার দিকে পটিয়া বাইপাস সড়কে পৌঁছালে হঠাৎ একজন পাগল দৌড়ে সড়কের মাঝে চলে আসে। এ পাগলটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে পড়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়। নিহত ব্যাক্তির নাম শামসুল হক (৫৪)। তার বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলায়। তিনি চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ লাকী প্লাজার একজন ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।
পটিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর বিমল কান্তি সিবিএন-কে জানান, দুর্ঘটনায় পতিত বাসটি ফায়ার সার্ভিসের লোকজন দিয়ে উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশ ফাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •