গত ১২ সেপ্টেম্বর ’১৯ খ্রিঃ দৈনিক আমাদের কক্সবাজার পত্রিকাসহ বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত “পোকখালীতে রোপিত ধানের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ ” শীর্ষক সংবাদটি আমার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যেসকল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তাহা ডাহা মিথ্যা এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি উক্ত মিথ্যে সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মুলত সত্য এই যে, অভিযোগকারী বেলালের নিকট হতে এলাকার লোকজন মোটা অংকের টাকা পাওনা রয়েছে। পাওনাদারদের মধ্যে আমিও একজন। পাওনা টাকা যাতে পরিশোধ করতে না হয় সেজন্য বেলাল এসব অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। আমি পোকখালী এলাকার একজন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান এবং প্রকাশিত সংবাদে চাঁদাবাজীর মত জঘন্য অপবাদ দিয়ে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। বস্তুতঃ বেলাল একজন শঠ ও পরধনলোভী। আমি বেলালের মালিকাধীন জমি থেকে কোন ধরনের ধানের চারা নষ্টের মত হীন কাজের সাথে কোনমতেই জড়িত নই ও ছিলামনা। জনশ্রুতি আছে আমার পাওনা টাকা যাতে দিতে না হয় সেজন্য বেলাল রাতের আধারে নিজের ধান ক্ষেত নিজে নষ্ট কিরে স্ত্রীকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে চাঁদাবাজি ও ধান ক্ষেত নষ্ট করার মত জঘন্য মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করেছে। আমি বেলালের নিকট টাকা পাওনা থাকার বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদের নিকট বিচারাধীন রয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী

রবিউল হাসান রুবেল

সাং-দক্ষিণ নাইক্ষংদিয়া, পোকখালী, সদর, কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •