ছবি: মারুফ ইবনে হোসাইন।

বার্তা পরিবেশক :
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (সাবেক) ও বর্তমান সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন (বিএ) এর সুযোগ্য পুত্র মারুফ ইবনে হোসাইন। বর্তমান জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত মারুফ ইবনে হোসাইনের রক্তে বইছে স্বাধীনতার চেতনা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সোনার বাংলা বির্নিমানের তাড়না। জেলা ছাত্রলীগের এই নেতা তৃণমূলের আস্থা ও বিশ্বাসের   জায়গা তৈরী করে ছাত্রলীগের নিবেদিত প্রাণ হিসেবে দেশ ও জাতির কল্যানে কাজ করে যাচ্ছে।
এই ছাত্রলীগ নেতাকে আগামী সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে প্রত্যাশা করছে তাঁর জন্য নিবেদিত তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও আওয়ামী রাজনেতিক ব্যক্তিত্বরা। তারা বলছেন বর্তমান ছাত্রলীগ সভাপতি ইসতিয়াক আহম্মদ জয় এর পরে মারুফ ইবনে হোসইন‘ই হচ্ছেন যোগ্য সভাপতি। তিনি‘ই হচ্ছেন আগামী‘র ছাত্রলীগের কান্ডারী।
গণহারে তৃণমূল নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষিত, বিচক্ষন ও সহজ-সরল মারুফ ইবনে হোসাইনের মধ্যে রয়েছে শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা। মানবিক এই ছাত্রলীগ নেতার কাছে যে কোন সমস্যা নিয়ে কর্মীরা আসলে কখনও ফিরিয়ে দেননা। তার জায়গা থেকে সবোর্”চ চেষ্টা করে এই সমস্যা সমাধানে। এছাড়া যে কোন অসহায় মানুষের প্রতি তার সহযোগিতা হাত বাড়ানো থাকে।
তার মধ্যে রয়েছে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক সাথে কাজ করার প্রবণতা। তাঁর প্রধান প্রচেষ্টা থাকে নিজেদের মধ্যে কোন ঝগড়া বিবাদ না রেখে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে। তিনি দলের স্বার্থে নিজ উদ্যোগে গায়ে পড়ে বিরোধ সমাধান করে শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেন। অন্যায়ের প্রতিবাদকারী এবং সাহসী এই নেতার সবেচেয়ে বড় বিরোধীতা হল জামাত-শিবির এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে। তাকে কখনও অন্যায়ের সাথে আপোষ করতে দেখা যায়নি। এমনকি তার দলের কেউ অন্যায় করলে তাদের বিরোদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়।
মারুফ ইবনে হোসাইন ভক্ত অনেকে বলেন, তৃণমূলের আস্থার মারুফ ইবনে হোসাইনের বিরুদ্ধে গুটিকয়েক চাটুকার এবং রাজনৈতিক মাঠ থেকে বিচ্ছিন্ন সম্মেলন বিরোধী কুচক্রি মহল উঠে-পড়ে লেগেছে। তারা মূলত নিজেদের স্বার্থের জন্য ছাত্রলীগের ক্ষতি চায়। কিন্ত সব ঠিকঠাক থেকে সম্মেলন হলে মারুফ ইবনে হোসাইন‘ই হবেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। কারণ সকলেই বুঝতে পেরেছে মারুফ‘ই পারবে জেলা ছাত্রলীগের কান্ডারী হতে।
এ ব্যাপারে মারুফ ইবনে হোসাইন জানান, আওয়ামীলীগ আমার রক্তের সাথে মিশে আছে। তাই আমার মূল লক্ষ্য হল স্বাধীনতার চেতনা বুকে ধারন করে বঙ্গবন্ধুর আর্দশে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করা। স্বাধীনতা বিরোধী কোন রক্তচক্ষুকে আমি ভয় পাইনা। তাদের সাথে কোন আপোষ নেই। আমি সবসময় চেষ্টা করি বড়দের শ্রদ্ধা করে সবাইকে সাথে নিয়ে মিলেমিশে সম্মীলিত ভাবে কাজ করে যেতে। তাই সবার প্রত্যাশা অনুযায়ী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে যাব এবং ইনশআল্লাহ্ কক্সবাজারই হবে আর্দশ ছাত্রলীগের আইডল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •