‘ঈদগাঁওতে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক থেকে টাকা আত্মসাত’ শিরোনামে কক্সবাজারের স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
সংবাদটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, সাজানো ও ভিত্তিহীন। প্রকাশিত সংবাদে যেসব বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে তা ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকা’র শামিল।
অভিযোগকারী শাহাব উদ্দিন কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আমার দায়েরকৃত মামলা নং-সিআর ১১০৪/১৯ এর আসামী। মামলাটি তদন্তাধীন। গত ২ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আমার কাছ থেকে ফোনে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে শাহাব উদ্দিন। তা না দিলে আমাকে ঠিকাদারী ব্যবসা করতে দেবেনা, প্রাণে হত্যা করবে ইত্যাদি হুমকী প্রদান করে।
এ বিষয়ে আদালতে মামলার পাশাপাশি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযোগ তদন্ত করছে পুলিশ। নিজের অপরাধ ঢাকতে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে শাহাব উদ্দিন।
আমি কক্সবাজার জেলার ঐতিহ্যবাহী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকা-েও জড়িত। নিজের অর্থে অসংখ্য সামাজিক, ক্রিড়া ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছি। পারিবারিকভাবে আমি বিত্তশালী ও প্রতিষ্ঠিত।
অভিযোগকারী সংবাদে নিজেকে শিক্ষক পরিচয় দিয়েছেন। অথচ তিনি কোন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নন। আমাকে ফোন করেছে জানিয়ে যে মোবাইল নং উল্লেখ করেছেন সেটিও আমার নয়। পুরো সংবাদে তিনি মিথ্যা তথ্য ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন।
দুঃখের বিষয় হলো, আমার মতো অবস্থানের একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক আমার কোন বক্তব্য নেননি। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও দেয়া হয়নি। আমার জানা মতে, একপক্ষীয় সংবাদ পরিবেশন সাংবাদিকতার নীতি পরিপন্থি।
প্রকাশিত সংবাদে প্রশাসনসহ কোন মহলকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ করছি। সেই সাথে এমন মিথ্যা-বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার ও পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আবহান জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
আমজাদ হোসেন ছোটন রাজা
পিতা-মরহুম এসটিএম রাজা মিয়া
খোদাইবাড়ি, ইসলামাবাদ, সদর, কক্সবাজার।