ঈদগাঁও সংবাদদাতা:
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও বাজারের পোস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় বিরোধীয় জমিতে রাতের আধারে বাউন্ডারীওয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দখলবাজদের থামিয়ে নির্মাণ কাজ স্থগিত রাখেন। বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে দখলবাজির ঘটনাটি ঘটে।
ঈদগাঁও বাসস্টেশন এলাকার প্রয়াত আনুমিঞা সিকদারের ছেলে রেজাউল করিমসহ শতাধিক সশস্ত্র দখলবাজ প্রকৃতির লোক এ ঘটনায় জড়িত বলে জানিয়েছেন ওয়ারিশসুত্রে জমির মালিক আমেরিকা প্রবাসী আজিজুল হক। তিনি ঈদগাঁও মাইজপাড়ার বাসিন্দা হেলাল আহমদের ছেলে। তবে, এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ঈদগাঁও পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই ইকবাল হোসাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অর্ধশতাধিক লোক বিরোধীয় জমিতে রাতের আধারে কাজ করছে জেনে অভিযান চালানো হয়। গিয়ে দেখা যায়, কোমর পরিমাণ ওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত কোন পক্ষকে কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে। নির্মাণকারীদের স্বপক্ষে কাগজপত্র থাকলে তা নিয়ে তদন্তকেন্দ্রে যেতে বলা হয়।
এ সময় দখলকারীদের হাতে দা-খন্তি ইত্যাদি দেখা গেছে বলেও জানান এসআই ইকবাল।
অভিযুক্ত রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে নিজের জমিতে কাজ করতে গেলে উল্টো বাধা দেয়া হয়েছে বলে দাবী করেন। তিনি জানান, আরএস, বিএসসহ সব ধরণের ডুমেন্টস তাদের অনুকূলে। প্রায় ৩ বছর আগে তারা কিছু অংশ বাউন্ডারীওয়ালও করেছেন। বাকী কাজ কাজ করতে গেলে পুলিশ নিয়ে বাধা দেয়া হয়।
তবে, নিজের জমি হলে শতাধিক লোক নিয়ে রাতের অন্ধকারে কেন কাজ করতে গেলেন? প্রশ্ন করলে সদুত্তর দিতে পারেননি রেজাউল করিম। বরং তিনি কোন লোকজন নিয়ে কাজ করেননি দাবী করেন।
জমির মালিকানার অংশিদার আমেরিকা প্রবাসী আজিজুল হক জানান, পোস্ট অফিস সংলগ্ন ১ গন্ডা ৩ গড়া জমির মালিক তার পিতা আহমদ ও চাচা ছৈয়দ আহমদ। প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা ওই জমি ভোগদখলে আছে। খালি জমির এক পাশে ২টি দোকানও রয়েছে। কিন্তু কিছু দখলবাজ প্রকৃতির লোক দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমি দখল করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
এ বিষয়ে ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদে বিচার দেন অপর অংশিদার আলতাজ আহমদ। প্রয় দুই মাস আগে দেয়া বিচার এখনো মীমাংসা হয়নি। বিচার চলাকালেই জমি দখলে নিতে যায় প্রতিপক্ষরা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •