ফেসবুক কর্ণার:
রোহিঙ্গা সমস্যা থেকে উত্তরণ আজ বা আগামীতে হয়তো সমাধান হতে পারে কিন্তু তার আগেই বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশী হয়ে যাবে আত্তীকরণের মাধ্যমে, মানে বাংলাদেশের কতিপয় লোকজনের সহায়তায়। এবারের কৌশল মারাত্মক রকম পাকাপোক্ত করে এসেছে।

মেয়েটা মায়ানমার থেকে এসেছে ২০১৭ সালে, কুতুপালং ক্যাম্পে পরিবারের ১৩ সদস্য নিয়ে। তারপর পিতা পরিচয়ে উখিয়া নিবাসী বাংলাদেশী জলিলের বাসায়। জলিলের মেয়ে বিয়ে দেয়া হয়েছে মালেশিয়া প্রবাসী হোসন আহমেদের সাথে। আলাদা করে মেয়ে/ জামাই /শ্বশুরকে প্রশ্ন করতে ও আসল কাহিনী বের করা দুঃসাধ্য হচ্ছিল, কেননা, প্রায় দুই বছর সে ট্রেইনিং পেয়েছে ওই বাংলাদেশী লোকের বাসায় পাতানো মেয়ে সেজে থেকে।

এবার, পাতানো স্বামীর মোবাইল ঘাটা শুরু। দেখা গেলো অন্য মেয়ের সাথে স্বামীর একটা ছবি। ওই মেয়ের ছবিটা পাতানো শ্বশুরকে দেখালে সে আনমনে স্বীকার করে যে এটা তার মেয়ের ছবি।

পরিষ্কার ভাবে প্রমাণিত যে এ মেয়ে রোহিঙ্গা। কেন না একজন বাবা কখনো ই তার দুই মেয়েকে একটা ছেলের হাতে তুলে দেবে না। এই ফাঁকে জামাই বাবু কে হাল্কাপাতলা দেয়া হলে সে ও স্বীকার করে নেয়।

অবশেষে, তাদের মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু, এভাবে আর কতদিন এভাবে রোহিঙ্গাদের নিয়ে ইঁদুর বিড়াল খেলা চলবে? এন্টিবায়োটিক ক্রমাগত ব্যাবহার করলে জীবাণু যেমন এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সি গুণ অর্জন করে তেমনি রোহিঙ্গাদের ও গতানুগতিক ভাবে আর সনাক্তকরণ সম্ভব হবে না। তাই আমরা নিজেরা সচেতন না হলে তারাই একসময় আমাদের সচেতনতা শিখাবে। তখন হা হুতাশ ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না। ঘটনা: ৪ সেপ্টেম্বর-২০১৯ ইং।  

কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবু নাঈম মাসুমের ফেসবুক ওয়াল থেকে নেয়া।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •