চকরিয়া সংবাদদাতা:
দক্ষিণ কোরিয়া এবং থাইল্যান্ডের ৮দিনের সরকারি সফর শেষে চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী ৩ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৫ টায় চকরিয়ায় আগমন করলে পৌর কাউন্সিলরবৃন্দ, পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশন ও প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁকে পুষ্পমাল্য দিয়ে সংবর্ধিত করেন। চকরিয়া পৌরসভা হলরুমে প্যানেল মেয়র বশিরুল আইয়ুবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সংবর্ধিত চকরিয়া পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জাহাংগীর আলম বুলবুল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া পৌর সচিব মাসউদ মুর্শেদ, পৌরসভার কাউন্সিলর যথাক্রমে মছুদুল হক মধু, রেজাউল করিম, জাফর আলম কালু, ফোরকানুল ইসলাম তীতু, জিয়াবুল হক, জামাল উদ্দিন, মুজিবুল হক, নজরুল ইসলাম, মহিলা কাউন্সিলর রাজিয়া সোলতানা খুকুমনি, রাশেদা বেগম, আঞ্জুমান আরা বেগম, আওয়ামীলীগ নেতা আমান উদ্দিন, আমির হোসাইন আমু, চকরিয়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মৃনাল কান্তি ধর, হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা সফায়াত হোসেন, কর আদায়কারী জহুরুল মওলা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছৈয়দুল হক আজাদ, স্যানিটারী পরির্দশক হায়দার আলী, বিল্ডিং পরির্দশক রাজিফুল মোস্তফা চৌধুরী, পৌর কর নির্ধারক ফরিদুল আলম, সহকারি হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুছ, উচ্চমান সহকারী ওসমান গনী, অফিস সহকারী আবদুল হামিদ, সহকারী কর আদায়কারী নুরুল আবছার মুনিরী, আদায়কারী রাশেদ কামাল, জানে আলম, মৌলানা রিদুয়ানুল হক, পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক আবুল কালাম, আওলাদ কামাল, লাইসেন্স পরির্দশক কামাল হোসেন, ঠিকাদানকারী সুপার ভাইজার নাজেম উদ্দিন, শেফায়েত হোসেন ওয়ারেছি প্রমূখ।

অপরদিকে চকরিয়া প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরীকে ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছাকালে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল মজিদ, সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম বেলাল উদ্দীন, অর্থ সম্পাদক জহিরুল আলম সাগর, নির্বাহী সদস্য সাঈদী আকবর ফয়সাল ও সদস্য মোঃ রিদুয়ানুল হক প্রমূখ। তিনি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

সংবর্ধনায় পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, সকলের দোয়া ও সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধিনে ‘কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সম্পদ একত্রিকরণ’ বিষয়ক কর্মশালায় অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়া ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন পর্যটন স্পট পরিদর্শন, আধুনিকমানের পর্যটন স্পট নির্মাণ, বিনোদন পার্ক, পরিবেশবান্ধব নিরাপদ পর্যটন জোন গঠনের অংশ হিসেবে ব্যাংককের পাতায়া সী-বীচে প্রশিক্ষণার্থীদের সরেজমিন ধারণা গ্রহন করেছি এবং থাইল্যান্ডে সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন নগর উন্নয়ন প্রকল্পের রোল মডেল প্রশিক্ষণার্থীদের সম্মুখে উন্মোচন, পাশাপাশি সকলের জন্য বাসযোগ্য মডেল টাউন নির্মাণ, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরেজমিনে ধারণা নিয়ে আমি দেশে ফিরে এসেছি।

উল্লেখ্য, সফরকালে ২৬ জন পৌর মেয়র, একজন যুগ্ম সচিব, একজন সহকারী সচিব এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ৪ জন কর্মকর্তা সাথে ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •