আবদুল মজিদ,চকরিয়া (কক্সবাজার):

হাসপাতাল, বাণিজ্যিক মার্কেট ও বাজারে আসা মহিলাদের এবং বিভিন্ন বাসা বাড়িতে গিয়ে মহিলাদের কাছে নকল স্বর্ণের বার (বিস্কিট) দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়া চক্রের ২সদস্যকে ৪টি নকল স্বর্ণের বার (বিস্কিট)সহ আটক করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর’১৯ইং) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নে এ অভিযান চালানো হয়। ধৃত আসামীরা হলেন; চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের নুরুল আলমের পুত্র শহিদুল ইসলাম (৩১) ও একই এলাকার নাছির উদ্দিন। ধৃতরা পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে একই এলাকার জনৈক শামসুল আলমের নেতৃত্বে তারা দীর্ঘদিন ধরে এ কাজ করে আসছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে; অভিযুক্ত প্রতারকচক্র ইতিপূর্বে লামা ফাইতং ধুইল্যাছড়ি গ্রামের গোলাম ছোবহানের স্ত্রী দিলোয়ারা বেগম,শফিকুল ইসলামের স্ত্রী রেহেনা বেগম, ফাইতং মহেশখালী পাড়ার আসাব উদ্দিনের স্ত্রী মুসলিমা জান্নাত, চকরিয়ার সাহারবিল ৭নং ওয়ার্ডের শাহপুরা গ্রামের মো: রাশেদের স্ত্রী রেহেনা আক্তার, ডুলাহাজারা শাহসুজা রোড এলাকার মনছুর আলমের স্ত্রী মিরাজ বেগমসহ অসংখ্য মহিলার কাছ থেকে ২২ ক্যারেট সীল খোদাই করা এসব ভূয়া স্বর্ণের বার (বিস্কিট) দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকার স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়েছে। সর্বশেষ ৩০ আগষ্ট দুপুরে ২লাখ ৮২ হাজার টাকা মূল্যের ৬ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয় বৃদ্ধা মহিলা দিলোয়ারা বেগমের কাছ থেকে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক মুফিজুর রহমান বলেন, ভূয়া স্বর্ণের বার দেখিয়ে স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ২জনকে আটক করা হয়েছে এবং অপরাপর অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধৃত জনের কাছ থেকে অন্তত ৬টি ভূয়া স্বর্ণের বিস্কিট উদ্ধার করে জব্দ তালিকায় দেখানো হয়েছে এবং তারা প্রাথমিকভাবে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) একেএম শফিকুল আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, ভূক্তভোগীদের পক্ষে শেখ এইচএম আহসান উল্লাহ বাদী হয়ে লিখিত এজাহার দিয়েছেন। তা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে এবং ৩ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের ধৃত ২ সদস্যকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •