ফেসবুক কর্ণার:
অপপ্রচারে লিপ্ত না হয়ে পরিবেশ শান্ত রেখে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে স্থায়ী সমাধানের কথা চিন্তা করাই শ্রেয়।
খুব কাছ থেকে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিয়ত দেখার সুযোগ মহান আল্লাহ পাক করে দিয়েছেন। যে পরিমাণ ঘনবসতি, অশিক্ষা, বিভিন্ন ধরনের গ্রুপিং, স্থানীয় কিছু ক্যাডারদের অপকর্ম,অনেক কিছুই দেখতেছি, শুনতেছি, সরে জমিনে উপলব্ধি করছি।
সে জন্য মানুষ হিসেবে, মানবতার দায়ে, মহান আল্লাহকে ভয় করেই কিছু বিষয় বলে যাচ্ছিমাত্র।
কতিপয় রোহিঙ্গাদের দ্বারা অপরাধ হচ্ছে, আরও বৃদ্ধি পাবে। অস্বীকার করার কোন কারণ নাই।
কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো- এর জন্য দায়ী কারা? সব রোহিঙ্গা? কত পার্সেন্ট হবে?
সর্বোচ্চ ২০%… আর অভাবে স্বভাব নষ্ট। তার উপর ওদের শিক্ষা, সভ্যতা অনেক কিছুর অভাব। এর উপর অনেক ধরনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে অনেকে এনজিও কাজ করে যাচ্ছে। আর ওরা মুসলিম হিসেবে সব কাজের সাথে সহজে একমতও হতে পারছে না।
যেমন- নারী পুরুষ সবাই সমান তালে কাজ করবে, রেশন নিতে আসবে, অনুষ্ঠানে আসবে ইত্যাদি..
ফলে ওরা অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে এনজিও কর্মীদের রোষানল পড়ে।
তারা অভদ্র, বেয়াদব ইত্যাদি খেতাব পেয়ে যাচ্ছে.।
যাই হোক, মূলতঃ সব সমাজ বা দেশেই ভাল খারাপ, সন্ত্রাসী, পরহেযগার ইত্যাদি মানুষ আছে।
আমার কাছে সব মিলিয়ে মনে হয়েছে, ওরা পরিবেশ পরিস্থিতির শিকার।
ওদের মধ্যে ভাল মানুষের সংখ্যা অনেক অনেক বেশি। আর অনেক সহজ সরল। কিন্তু কতিপয় স্বার্থবাদী, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশে বসবাস করে আসা কিছু দুরভিসন্ধি ওয়ালা কালপ্রিট যারা স্থানীয় ও সরকার দলের লোকজনের সাথে হাত মিলিয়ে বিভিন্ন আকাম কুকাম করে যাচ্ছে।
কিন্তু তারা প্রত্যক্ষভাবে শাস্তির আওতায় আসছে না। ফলে তাদের কারণে ছেলেহারা, স্বামী হারা ভিটে বাড়ি ছাড়া অসহায়, মজলুম, উদবাস্তু কিছু মুসলিমদের গায়ে কালিমা লেপন হয়ে যাচ্ছে ।
বলতে বলতে আমরা এমন জাহেলি বলেও ফেলছি- মগরা এদের হত্যা করেই ভাল করছে। এদের সবাইকে মেরে ফেললেই আমরা বাংলাদেশীরা মুক্তি পাব। ইত্যাদি…
আপসোস হচ্ছে- আমাদের কিছু স্বার্থবাদী, অন্ধ জাতীয়তাবাদী, মুসলিম জাতি গোষ্ঠীর জন্য।
আল্লাহ কখন যে আমাদের সহিহ বুঝ দেবে!!
হে আল্লাহ রহম কর।
মুসলিম জাতি সত্ত্বাকে সত্যের উপর এক কর। …. আমিন

-সাহাব উদ্দিনের ফেসবুক ওয়াল থেকে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •