নিজস্ব প্রতিবেদক :
চারিত্রিকভাবে অধ:পতন হওয়ার আশঙ্কাজনক সময় হচ্ছে কৈশোরকাল। ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সের সময়েই এই আশঙ্কাটা আশঙ্কা প্রবল। এই সময়ে কিশোর-কিশোরীদের পারিবারিকভাবে নজরদারিতে রাখতে হবে। তাদের দৈনন্দিন চলাফেরা, বন্ধুত্ব তালিকা, ঘরোয়া অভ্যাস পর্যবেক্ষণ করতে হবে। বিশেষ করে খারাপ বন্ধু, মোবাইল-কম্পিউটারে নিষিদ্ধ কিছু করছে কিনা তা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। মা-বাবাকে সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে সব ধরণের চারিত্রিক অনিশ্চিয়তা রোধ করতে হবে।

মঙ্গলবার ব্র্যাক কক্সবাজার জেলা কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত ‘কৈশোর সুরক্ষায় হবো সচেতন’ শীর্ষক উপজেলা রিসোর্স পুল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান এই কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আজকের কিশোর-কিশোরীরা আগামীর কর্ণদ্বার। তাদেরকে সেভাবে গড়া তোলা আমাদের সর্বোচ্চ দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এছাড়াও তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারলে ইভটিজিং, মাদকাসক্ত, চুরি-ছিনতাইসহ অনেক সামাজিক অপরাধ কমানো যায়। কিশোর-কিশোরীদের সঠিক পরিচর্চা দিয়ে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারলে বাল্যবিয়ের প্রবণতাও বহুলাংশে কমবে।

ব্র্যাক কক্সবাজার প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হামিদ তাহের, কক্সবাজার সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূরুল আমিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম উদ্দীন, কক্সবাজার প্যানেল মেয়র শাহেনা আকতার পাখি, কাউন্সিলর আকতার কামাল, ওমর ছিদ্দিক লালু, ইয়াসমিন আকতার, জাহেদা বেগম, পিএমখালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রহিম। এছাড়াও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সমাজপ্রতিনিধি, কাজিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্প বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক কক্সবাজার সদর উপজেলা (শিক্ষা কর্মসূচ) ম্যানেজার মোঃ মিজানুর রহমান।

সভায় মুক্ত আলোচনায় বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধি ও কাজী এবং পরিবার ও সমাজের ভূমিকার রাখার প্রতি প্রবল গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এই জন্য সকল নৈতিকতাকে জায়গা দিয়ে কাজ করার আহŸান জানানো হয়। ভুয়া জন্মদিনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও মা-বাবাকে সচেতন করে বাল্য বিয়ে রোধ করার আহŸান জানানো হয়। এই জন্য শিক্ষাগত সদকে মূল্যায়ন করে ভুয়া জন্ম সনদ ঠেকাতে পরামর্শ দেয়া হয়।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •