ফেসবুক কর্নারঃ
অদ্য ২৭/০৮/২০১৯, বাবা ও মেয়ে পাসপোর্ট করতে হাজির। মেয়ে দুই বছর আগে মিয়ানমার থেকে আসা। জাদিমুড়া ক্যাম্পে থাকে। জানি না কি চুক্তি/কয় টাকায় দালাল তাদের করে রাজি করায় ; জানার দরকার ও নাই। বাংলাদেশী লোকটার কাছে বাংলাদেশের জাতীয়তার কোন মুল্য নেই তাই বিজাতীয় এক মেয়েকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাইয়ে দেবার এক দুরন্ত চেষ্টা করে। ব্যর্থ হলো !!!
রোহিঙ্গা ডাটাবেইজ এর তথ্য মিলিয়ে দেখা গেল সে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গারা জানে ভোটার আইডি করা দূরহ তাই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম সনদ সংগ্রহ করে আল্লাহর উপর বিশ্বাস রেখে বাংলাদেশের কিছু “ভাত দে হারামজাদা নইলে মানচিত্র খাবো” টাইপের নাগরিকের সহায়তায় পাসপোর্ট পেলেই কেল্লাফতে !!!
একটা পাসপোর্ট করা হলেই সে নিশ্চিতভাবে নিজেকে বাংলাদেশের নাগরিক দাবী করতে পারে। কিন্ত, আমরা আমাদের দায়িত্বে বধ্য পরিকর। ধরা পড়তেই হবে।
জেলে পাড়ার জেলেদের শরীর স্বাস্থ্য রোগা হতে পারে কিন্তু কুকুর বিড়ালগুলো তাগড়া থাকে কেননা, তারা মাছের কাঁটা তো পায় আর মাঝেমধ্যেই কিছু জেলেকে কামড়ে দেয়। রোহিঙ্গারা তেমনি। যখন থেকে তারা আসলো – সাদা চামড়ার এন জি ও সাহেবরা আসলো , দুই টাকার দালালের ভাব বাড়লো , শ্রমিকের দালান উঠলো, তিন চাকার রিকশা ওয়ালার চার চাকার ল্যান্ড রোভার হলো কিন্তু স্থানীয় লোকদের আপামর অবস্থার পরিবর্তন হলো না— তারা কায়ক্লেশে জীবনযাপন করে।
পুনশ্চঃ দুইজনকেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছরের জেল দেয়া হয়েছে।

#কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবু নাঈম মাসুমের ফেসবুক আইডি থেকে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •