ডেস্ক নিউজ:
সাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকায় নির্মিত হচ্ছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর। ইতোমধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে এটির ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এ মাসেই এর অনুমোদনের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) উপস্থাপিত প্রতিবেদন থেকে এ ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
চবক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ১৮ হাজার ৫৮০ কোটি ৬০ লাখ টাকার ডিপিপি প্রণয়ন করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে তা পরিকল্পনা কমিশনেও পাঠিয়েছে। এ মাসেই ডিপিপি অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
এই প্রকল্পে চবক খরচ করবে ৯ হাজার ৬১৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং সড়ক বিভাগ খরচ করবে ৮ হাজার ৯৬১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। বন্দর কর্তৃপক্ষের খরচের অংশের মধ্যে নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হবে ২ হাজার ৫৮৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন (জাইকা) দেবে করবে ৭ হাজার ৩১ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
এদিকে বৈঠকে বিষয়টি উপস্থাপন না হলেও জানা গেছে, সড়ক বিভাগের ব্যয়ের বড় অংশও জাইকা দেবে।
মাতারবাড়ী বন্দরের গভীরতা ১৬ মিটার। এখানে ৮ হাজার TEUs ধারণক্ষমতার কন্টেইনার জাহাজ ও ১ লাখ মেট্রিকটন ধারণক্ষমতার কার্গো জাহাজ প্রবেশ করতে পারবে।
ডিপিপি অনুসারে, প্রকল্পের আওতায় মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরে ৪৬০ ও ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি জেটি নির্মাণ করা হবে। ২০২৪ সালে এটি চালু হবে।
এদিকে বৈঠকে কমিটি চ্যানেলের গুপ্তাবাঁকসহ কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা ঠিক রাখার লক্ষ্যে নদীর তলদেশে জমে থাকা পলিথিন অপসারণ করার ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য শাজাহান খান, রণজিৎ কুমার রায়, মাহফুজুর রহমান, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, মো. আছলাম হোসেন সওদাগর এবং এস এম শাহজাদা অংশ নেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •