প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সমাবেশ সম্পর্কে পর্যালোচনার জন্য মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কক্সবাজার জেলা ইউনিট কমান্ডারের আহবানে এক সভা বিজয় সরণীস্থ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় সাবেক জেলা কমান্ডার ও সাবেক পৌরমেয়র নুরুল আবছার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক কামাল হোসেন চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধকালীন জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা জালাল আহমদ, সাবেক জেলা কমান্ডার মো: শাহজাহান, মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে মফিজুর রহমান, আলতাফ হোসেন, আবু তাহের, মাসুদ কুতুবী, সুনীল বড়–য়া, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ আলী জিন্নাত, জেলা জাসদ নেতা মোহাম্মদ হোসেন মাসু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল মতিন আজাদ, জেলা জাতীয় পার্টি’র সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সমাজকর্মী নাজিম উদ্দিন প্রমূখ।

সভায় গত ২৫ই আগস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত সমাবেশ সম্পর্কে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বক্তারা বলেন, রোহিঙ্গা নির্যাতন ও বাস্তুচ্যুতির ২য় বর্ষ পুর্তি উপলক্ষ্যে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলেও প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমাদের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সমাবেশে বক্তাগণ বাংলাদেশ সরকারকে উদ্দেশ্য করে যে সব দাবী দাওয়া উত্থাপন করা হয়েছে তাতে প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ সরকারের করণীয় খুবই সীমিত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকাই মুখ্য। সব জেনে শুনে সমাবেশ থেকে বাংলাদেশ সরকারের উপর প্রচন্ড অনৈতিক চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্ঠা চালানো হয়। কক্সবাজার জেলার সর্বস্থরের মানুষ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর চাপে রুদ্ধশ্বাস অবস্থায় আছে। নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য রোহিঙ্গা উপস্থিতি দীর্ঘায়িত করার জন্য কিছু সংস্থা ও ব্যক্তি অন্তর্ঘাত মূলক কর্ম তৎপরতা চালাচ্ছে। বিশেষ করে উক্ত সমাবেশে ব্যাপক সংখ্যক ডিজিটাল ব্যানার, টিশার্ট, মেগাফোন, টুপি, পোস্টার, ছাতা সরবরাহ করার পিছনে কারা অর্থ জোগান দিয়েছে তা অনুসন্ধান করে খুঁজে বের করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অনুসন্ধান ও পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় এক সপ্তাহ পর কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। গণ আদালতে দায়ী সংস্থা ও ব্যক্তিদের বিচারের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •