রোহিঙ্গা নিয়ে ভাবনা ও সরল অংক

শাহরিয়ার মোহাম্মদ ইয়ামিন

#প্রথম ভাবনা:- যে জনমত (সমাবেশ) আজকে তারা সৃষ্টি করছে বা আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিয়েছে, সেই জনমত যদি যখন নির্যাতিত বা নিপীড়িত হয়েছিলো তখন করতো! তাহলে মিয়ানমার কর্তৃক কখনো নির্যাতন চালানো সম্ভব হতোনা! বরং সব অধিকার আদায় করে নিতে পারতো!

#দ্বিতীয় ভাবনা:- জাতিসংঘ যে অনুদান দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের জন্য তার মাত্র ১০-২০% খরচ করে প্রতিনিয়ত মিয়ানমার সরকার কে চাপ সৃষ্টি করলে, স্ব-উদ্যোগে মিয়ানমারে গিয়ে আবাসস্থল, চলাফেরা ও নাগরিকত্ব বিষয়ে কাজ করলে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু জাতিসংঘ আজ দর্শক! চুপ মেরে চেয়ে আছে।মাঝেমাঝে একজন প্রতিনিধি পাঠিয়ে আবলামি করে! যা সমাধান এর জন্য কোন ভূমিকা রাখেনা।

#তৃতীয় ভাবনা:- আমি আপনি যদি কোন পরিশ্রম ছাড়া খেতে পাই, তাহলে সেই সুযোগ কখনো হাত ছাড়া করবোনা! দরকার হলে যুদ্ধ করবো! ঠিক তেমনি রোহিঙ্গারাও এমন সুযোগ সুবিধা হাত ছাড়া করতে রাজি নয়। এমন কি তারা উচ্চকণ্ঠে বলে, “তোমরা (কর্মরত বাঙ্গালী) আমাদের জন্য চাকরি পাইছ, খেতে পারতেছো। আমাদের কে বিদেশীরা সহযোগীতা করতেছে।” তাহলে বুঝা যায় কূটনীতিতে তারা কতটা দক্ষ ও দৃঢ়!

#চতুর্থ ভাবনা:- মানবতা এখন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ব্যবসা। অন্যদিকে কূটনীতি খুবই দুর্বল ও অদক্ষ। এই দুইটা বিষয় সমাধানে একধাপ এগিয়ে আসলে সম্ভাবনা আছে ফিরিয়ে যাওয়ার! অন্যথায় লুটেপুটে খাবে এই ছোট্ট ভূখণ্ড (বাংলাদেশ) কে!

#পঞ্চম ভাবনা:- রোহিঙ্গারা অত্যন্ত সহনীয় জাতি। ব্যাকগ্রাউন্ড ঘেটে দেখলে দেখবেন তাদের বেড়ে উঠা পরিবেশটা ছিলো খুবই কঠিন। অর্থাৎ যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা নিজেকে মানিয়ে তুলতে পারে। অতএব, কেউ যদি মনে করেন যে, এন.জি.ও, সুযোগসুবিধা, খাওয়াদাওয়া বন্ধ ইত্যাদি করে দিলে তারা ফিরিয়ে যাবে। তাহলে এর চেয়ে বড় ভুল আর কিছুই হবেনা! বরং ক্ষুধা মিটাতে বাংলাদেশে শুরু করবে চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি ইত্যাদি ইত্যাদি। তখন দমন করা খুব কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ তারা বন্দুকের গুলি কে ভয় পায়না! এর চেয়ে কঠিন ছিলো তাদের বেড়ে উঠা পরিবেশ!

#ষষ্ঠ ভাবনা:- মিয়ানমার বাহ্যিকভাবে দাবী মেনে নেওয়ার কথা কিছুটা স্বীকার করলেও আসলে তারা দাবী মেনে না নেওয়ার পক্ষে। যা তাদের কার্যক্রমে দৃশ্যমান। মিয়ানমারের কথায় পরিষ্কার জবাব দেয় রোহিঙ্গারা, “আমরা তোমাদের কে বিশ্বাস করিনা! তোমরা আমাদের দাবী মেনে নিবেনা!”

এইবার ভাবনার আলোকে সরল অংক,

রোহিঙ্গাদের ভাষ্য, দাবী মেনে নিলে ফিরি যাবে।
কিন্তু, মিয়ানমার তাদের দাবী মেনে নিবেনা।
অতএব, তারা ফিরে যাবেনা। বরং এ দেশেই তারা থাকবে।
খেলা এখানেই শেষ! সময় এসেছে খেলা দেখার! সুতরাং চুপ থাকুন, খেলা দেখুন!
দেখা যাক পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়!

শাহরিয়ার মোহাম্মদ ইয়ামিন, গোরক ঘাটা, মহেশখালী কক্সবাজার।

 

সর্বশেষ সংবাদ

রামু থানার অভিযানে ইয়াবা নিয়ে আওয়ামীলীগ নেতাসহ আটক ২

এড. নজরুল ইসলাম আর নেই , জেলা আইনজীবী সমিতির শোক

বর্ণাঢ্য আয়োজনে কক্সবাজারে ২দিনব্যাপি সিসিমপুর মেলা শুরু

বিএনপি নেতা দুদুকে আইনের আওতায় আনার দাবিতে উখিয়া ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

নিরাপদ সড়ক ও মানব ঝুঁকি

হাজীপাড়া ফুটবল টুর্নামেন্টে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন উত্তর ডিককুল ক্রিড়া সংস্থা

মাদক ও নৈতিক অবক্ষয়ের ছোবল রোধে সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই

উখিয়ায় এনজিওকর্মী হত্যাকান্ডের পিছনে রয়েছে পরকীয়া

কক্সবাজার-রামুর উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে- এমপি কমল

সাকসেস ইন লাইফ

বহর নিয়ে এমপি কমলকে বরণ করলেন ঝিংলজার আ.লীগ নেতা আমিন

এনজিও কর্মী মাজহার হত্যার আসামী আলাউদ্দিন আটক

খানাখন্দে ভরা পোকখালী মুসলিম বাজার সড়ক

চিকিৎসার জন্য ভারত যাচ্ছেন খুরুশকুল ইউপি চেয়ারম্যান জসিম

কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার- ২২

আদালত ও ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শনে কক্সবাজার আসছেন বিচারপতি বোরহান উদ্দিন

কক্সবাজার জেলা তাঁতী দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চকরিয়া পৌর এলাকায় ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে আরসিসি সড়ক নির্মান উদ্বোধন

বাংলাদেশী ১০ নারীকে ভারত থেকে বেনাপোলে হস্তান্তর

মসজিদের নগরী ঢাকা আজ ক্যাসিনোর নগরী : যুবদলের মানব বন্ধনে লুৎফুর রহমান কাজল