হেলাল উদ্দিন, টেকনাফ :
টেকনাফে রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র গ্রুপে হাতে নৃশংসভাবে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে খুনের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই খুনের রেশ কাটতে না কাটতেই মামলা দায়ের করায় আবারো সংঘবদ্ধ ও স্বশস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের ফের হামলার হুমকিতে ওমরের পরিবার ও স্থানীয়রা নিরাপত্তাহীন হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ব্যাপারে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় লোকজন প্রশাসনের নিকট নিরাপত্তা দাবী করেছে।
উপজেলার হ্নীলা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুককে হত্যার ঘটনায় পিতা বাদী হয়ে মৃত কালা মিয়ার পুত্র বার্মাইয়া ডাকাত ও ইয়াবা গডফাদার নুর মোহাম্মদকে প্রধান আসামী করে নামীয় ২০জন এবং অজ্ঞাত ২০/৫০ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। যার নং-টেক/৫৯/২৩-০৮-১৯ইং। এই মামলা দায়েরের পর মামলার বাদীসহ পরিবার-পরিজন অঘোষিত হুমকির মুখে রয়েছে বলে নিহতের পিতা মোনাফ কোম্পানীসহ কয়েকজন ভূক্তভোগী জানায়। এই কারণে বেশীর ভাগ লোক আতংকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে এবং দোকান-পাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। যেকোন মুর্হুতে হামলার আশংকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তারা প্রশাসনের নিকট নিরাপত্তা দাবী করেছেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘবদ্ব ডাকাতদের ধরতে ও অস্ত্র উদ্ধার করতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে যৌথ বাহিনীর চিরুনী অভিযান জরুরী বলে মনে স্থানীয় সচেতন মহল।
এই ব্যাপারে আইন-শৃংখলা বাহিনীর বিশ্বাস্থ সুত্রের দাবী, উক্ত এলাকার কোন ধরনের অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবেনা। ওমর হত্যার পর হতে পুরো এলাকাকে নিরাপত্তার চাঁদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। দিবা-রাত্রি আইন-শৃংখলা বাহিনীর টহল জোরদার রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •