“রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকুরী চাই, আবার রোহিঙ্গা মুক্তও চাই”

★ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিতে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দোওয়া হোক।
★ আমরা রোহিঙ্গা মুক্ত কক্সবাজার চাই।

-এমন বাণীতে আমার জেলার মানুষ!

শুধু দোষ অন্যের! ওমুক এনজিও, তমুক এনজিও, ওমুক নেতার, তমুক কারণে ইত্যাদি।

আজ পর্যন্ত শুনলাম না বা দেখলাম না আমার জেলার মানুষগুলোকে একটি রোহিঙ্গা মুক্ত প্রতিবাদসভা করতে। নিজেদের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিজেরাই খামখেয়ালী তখন থেকেই।

আমার জেলার মানুষ রোহিঙ্গা মুক্ত কক্সবাজার চাই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওতে চাকরিরত অবস্থায়।

*লোভ লালসার কসমসে ডলারে বেতনে চাকুরি করে এলাকার কিছু যুবক ভাই ও ছাত্ররা। এমনকি অন্যত্র চাকরি ছেড়ে দিয়ে ডলারে বড্ড ব্যস্ত।

*সাংবাদিকগণদের জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্প এখন সংবাদ সংগ্রহের খোরাক হয়ে দাড়িয়েছে। নিউজ হিড করতে পারলেই মোটা অংকের বোনাস। মাঝে মাঝে রোহিঙ্গাদের মানবতা নিয়ে আবেগি হয়ে পড়ে।

*বাড়ীওয়ালারা পায় বাড়ীভাড়ার দিগুণ তিনগুন মোটা অংকের টাকা। কোন রকমের একটি টিন শেড বাসা। এতেই চলে আসে ডলারে পাওয়া বেতনের বাংলা টাকা।

*সিএনজি বাস মালিকরা পায় দিগুণহারে ভাড়া। উঠলে উঠেন না উঠলে নাই। বাড়া যেখানেই যান ১০০ কিংবা ২০০ টাকা। কিছুজন ডলার ভেঙ্গে দেয় টাকা, আর কিছুজন দেয় দৈনন্দিনের কষ্টের অর্জিত জমানত মাটির ব্যাংক ভেঙ্গে টাকা।

*রাজনৈতিক সুবিধা হাসিল করে নেওয়ার কথা নাই বা বললাম।

ইত্যাদি এমন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কিছু ব্যক্তি স্বার্থ সুযোগসুবিধা।

কিন্তু কখনও একবারও কি ভেবে দেখেছেন, রোহিঙ্গাদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় (যেমনঃ চাল, ডাল, তেল, পিঁয়াজ, মরিচ ইত্যাদি খাদ্য এবং বস্ত্র) ইত্যাদি কক্সবাজার এলাকা হতে ক্রয় করতে দেখেছেন?

হয়তো এসব কক্সবাজার এলাকা হতে ক্রয় করলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অনেকটা উপকারও হতো। এটা হলো বৃহত্তর স্বার্থ। কষ্টের ভোগের সাথে কিছুটা উপকার পেত।

বিভিন্ন এনজিও সংস্থাগুলোর যত রকমের রোহিঙ্গাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি লাগে সবই দেশের বাইরে থেকে কন্টেইনার যোগে নিয়ে আসে। আর আমাদের কক্সবাজারবাসীকে মাঠ কর্মী হিসেবে ব্যবহার করে।

যাইহোক, বলতে গেলে অনেক কথাই বলা যায়।
চাকরি, দিগুণ ভাড়া, কমিশন ইত্যাদি এসব ক্ষুদ্র স্বার্থের পিছনে না ঘুরে সকলেই একজোট হয়ে একসাথে জব থেকে অব্যাহতি দিয়ে আমরা একটা প্রতিবাদ কিংবা কোন আন্দোলনের ডাক দিতে পারি। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও সকল কার্যক্রম অচল করে দিতে হবে। এই আন্দোলন আমাদের ধারাবাহিক রাখতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের কক্সবাজারকে রোহিঙ্গা মুক্ত করতে পারি নাই।

আমাদের এমন আন্দোলনে তখন বহির্বিশ্বের টনক নড়ে উঠবে। আশাকরি তখন আমরা অধিকার ফিরে পাব। মুক্ত হবে রোহিঙ্গা। ফিরে পাব আমাদের অপরূপের কক্সবাজার। রোহিঙ্গাদের হাতে নির্মমভাবে আর খুন হবে না আমাদের ভাইয়েরা।

এম কেফায়েত উল্লাহ খান
সম্পাদক ও মানবাধিকার কর্মী
সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে।।

সর্বশেষ সংবাদ

উখিয়া মাদক কারবারির বাড়ির মাল ক্রোক

আদালতে এনজিও কর্মী খুনের দায় স্বীকার করেছে ঘাতক আলাউদ্দিন

টাইগারদের জয়ের বন্দরে পৌছে দিল সাকিব

নাইক্ষ্যংছড়ি পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনাময়ী এলাকা -অতিরিক্ত সচিব মোঃ আতিকুল হক

দুই মামলায় জি কে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে

চট্টগ্রামে তিন ক্লাবে র‌্যাবের অভিযান, দুটিতে মিলেছে জুয়ার সরঞ্জাম

দুর্নীতিগ্রস্ত আওয়ামী লীগ নেতারা দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে

মরহুম রশীদ আহমদের ৩১ তম মৃত্যু বার্ষিকী রবিবার

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা ‘আই লাভ ইউ’: যুবলীগ চেয়ারম্যান

প্রশিক্ষণ পেশার উৎকর্ষতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে : এসপি মাসুদ

রামুর অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুকের জানাযা সম্পন্ন 

চট্টগ্রামে ৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

এনজিওকর্মী মাজহার খুনের ঘটনায় মামলা, স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর

‘পৃথিবীতে ইসলাম ছাড়া কোনো ধর্ম থাকা উচিত নয়’

পদুয়ার মাদক কারবারী কাইছার গ্রেফতার

মগনামার চেয়ারম্যান ওয়াসিমকে বিএনপি থেকে বহিস্কার

হুফফাজুল কুরআন সংস্থার জাতীয় কাউন্সিল সম্পন্ন

হাটহাজারীতে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনাকারী এখনো তৎপর – ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

চকরিয়ায় মা’কে মেরে দাত ফেলে দিল ছেলে!