গত ১৮ আগষ্ট কক্সবাজার নিউজ ডটকম সিবিএন ও ১৯ আগষ্ট দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত “রামুতে সন্ত্রাসী হামলার শিকার আওয়ামী লীগ নেতা, চমেকে ভর্তি” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
উক্ত সংবাদে বর্নিত বিষয়াদী আদৌ সত্য নয়, বিধায় আমরা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমি বিগত দুই দশক ধরে জোয়ারিয়া নালা ইউনিয়নের স্হায়ী বাসিন্দা। অথচ প্রায় ৩ কিলোমিটার দুরে সংঘঠিত কথিত ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে উপরোক্ত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
সংবাদ প্রকাশের পর খোঁজ খবর নিয়ে যা জানলাম তা হল, হল, রামু পশ্চিম মেরংলোয়া দোকান পাড়া (ডোয়ানা পাড়া) জামে মসজিদ পরিচালনার দায়িত্ব ইতোপূর্বে এককভাবে পরিচালনা করে আসছিল সংবাদে বর্ণিত আলী আহমদ। কিন্তু মসজিদের আয় ব্যয়ের হিসাব না দেয়া, চরম অস্বচ্ছতা ও তার আরো বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির ফলে এলাকাবাসী ও মুসল্লীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। এর প্রেক্ষিতে সম্প্রতি সামাজিক শালিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে একই এলাকার হাফেজ মৌলভী দেলোয়ার, জাকের হেছাইন ও আলী আহমদের আপন ছোট ভাই জাফর আলমকে মসজিদ পরিচালনার যৌথ দায়িত্ব দেন এলাকাবাসী।
এতে ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আলী আহমদ ও তার স্ত্রী হালিমা আকতার হাফেজ দেলোয়ারকে তাদের বাড়ীর সামনে পথরোধ করে। এরপর আলী আহমদ লম্বা দা ও তার স্ত্রী হালিমা লোহার খুন্তি নিয়ে হাফেজ দেলোয়ারকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। তখন আক্রান্ত দোলোয়ারের ছোটভাই জাকের হোসাইন তাঁকে রক্ষায় এগিয়ে আসে। এসময় সৃষ্ট শোরগোলে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে দা ও খুন্তি কেড়ে নেয়, যা স্হানীয় ফতেখাঁরকুল ইউ পি চেয়ারম্যানের কাছে রক্ষিত আছে।
তখন ধস্তাধস্তির ফলে আলী আহমদের স্ত্রীর হাতে থাকা খোন্তার আঁচড় লাগে আলী আহমদের মাথায়।
সংঘঠিত ঘটনা মীমাংসা করার জন্য চেয়ারম্যান বৈঠক আহবান করলেও এতে সাড়া না দিয়ে আলী আহমদ মামলা-হামলার হুমকি দিয়ে আসছে।
তাই উদ্যেশ্য প্রনোদিত উক্ত সংবাদে প্রশাসনসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি ও উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি ।

প্রতিবাদকারী
কাদের হোসেন
গ্রাম – বড়ুয়া পাড়া, উত্তর মিঠাছড়ি,
(২ নং ওয়ার্ড )
জোয়ারিয়া নালা, রামু,
কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •